ক্যাটাগরি আবেগঘন কাহিনী

প্রত্যাখান | পর্ব ১৫ | লাবণ্যর ফিরে আসা আর কাকার জ্ঞানের কথা

প্রত্যাখান পর্ব ১৫-এ শুভ্র রাগে পিয়াদের বাসা থেকে চলে আসে, কিন্তু লাবণ্য তার জন্য ছাতা নিয়ে নামে। সিদ্দিক কাকা লাবণ্যকে বরের সাথে মানিয়ে চলার উপদেশ দেন। বৃষ্টিতে ভিজে শুভ্রের মন ভাঙে, আর লাবণ্যর সাহসিকতা প্রেমের নতুন সম্ভাবনা তৈরি করে।

মন ফড়িং | পর্ব ১০ | ম্যান্ডির প্যারালাইজড অবস্থা আর মিস্টার ব্রন্ডের অনুশোচনা

মন ফড়িং পর্ব ১০-এ মিস্টার ব্রন্ড তার প্যারালাইজড স্ত্রী ম্যান্ডিকে নিয়ে আসেন এবং নিদ্রকে গিফট দেন। তিনি জানান, ম্যান্ডি সুইসাইড চেষ্টার পর এমন অবস্থায় পৌঁছেছেন। ক্যারিয়ারের জন্য তাকে অবহেলা করার অনুশোচনা করেন তিনি। ভালোবাসার মূল্য হারানোর বেদনার গল্প ফুটে ওঠে এই পর্বে।

মন ফড়িং | পর্ব ৯ | অদ্রির যত্ন আর নিদ্রের অতীতের খেলা

মন ফড়িং পর্ব ৯-এ অদ্রি রীতার যত্নে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হচ্ছে, কিন্তু মানসিক ভারে ভারাক্রান্ত। রীতা ছাদে যেতে বললেও অদ্রি অস্বীকার করে। এদিকে লিলি নদীর পাড়ে যুবকদের দেখে মুগ্ধ হয়। নিদ্র রাতে ঘুম না আসতে দাদীর কাছে যায় এবং তার অতীতের ভালোবাসার কথা মনে করে। নাজমুল সাহেব বাংলাদেশ যাওয়ার টিকিট নিয়ে মাকে মাফ চায়।

প্রত্যাখান | পর্ব ১৪ | লাবণ্যর নীরব বেদনা আর শুভ্রের অনুশোচনা

প্রত্যাখান পর্ব ১৪-এ লাবণ্যর ভাবি শুভ্রকে জানায় তার ভাগ্নির নীরব বেদনা ও বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখানের কারণ। শুভ্র ভেঙে পড়ে, লাবণ্যকে খুঁজতে ছোটে। বৃষ্টিতে ভিজে সে ছুটে যায় পিয়াদের বাসায়, যেখানে আটকে আছে লাবণ্য।

সর্বনাশের দিনে | পর্ব ২ | চিঠির আবেগ আর ভাঙা প্রেমের কথা

সর্বনাশের দিনে পর্ব ২-এ নায়িকা কবিকে এক আবেগঘন চিঠি লেখে, যেখানে তার ভাঙা হৃদয়, প্রতারণার ব্যথা এবং তীব্র ভালোবাসার কথা ফুটে উঠেছে। কলেজ গেটের সেই কফি শপের স্মৃতি জাগে, যেখানে একদিন 'ভালোবাসি' শোনা গিয়েছিল।

সর্বনাশের দিনে | প্রথম দেখা

সর্বনাশের দিনে পর্ব ১-এ শিবপুর কলেজ গেটে প্রথমবার মুখোমুখি হয় তারা। লজ্জায় রাঙা গালে এক অচেনা প্রেমের সূচনা, চোখে চোখ রেখে কথা হয় না, তবু মন ভরে ওঠে অপরূপ আবেগে।

প্রত্যাখান | পর্ব ১৩ | লাবণ্যর নীরবতা আর বিবেকের ডাক

প্রত্যাখান পর্ব ১৩-এ লাবণ্যর রুম গোলাপে সাজানো হয়, কিন্তু বিয়ের পরেও তাকে শারীরিক চাহিদায় ব্যবহার করা হয়। স্বামী মায়ের কথা উপেক্ষা করে ব্যস্ত থাকে। ভাবি হেনা সত্য ফাঁস করতেই তার বিবেক জেগে ওঠে, চোখে আসে অকাল অশ্রু।

ফাগুণের নবধারা | পর্ব ৯ | আবিদের ফ্লাইট শেষ আর কক্সবাজারের ট্যুর প্ল্যান

ফাগুণের নবধারা পর্ব ৯-এ আবিদ ফ্লাইট শেষে বাড়ি ফিরেছে, আর রুকু সবাই মিলে কক্সবাজারে ট্যুরের পরিকল্পনা করছে। নিঝুমকে সারপ্রাইজ দেওয়া হবে, আর রুকু আবিদের জন্মদিনে বিশেষ সারপ্রাইজ রেখেছে। সুমু গর্ভাবস্থায় ফুচকা খাচ্ছে, আর নাভিদ তার প্রতি আবেগে ভরে আছে।

ফাগুনের নবধারা | পর্ব ৮ | রুকুর বউ সাজা আর আবিদের পালানোর পরিকল্পনা

ফাগুনের নবধারা পর্ব ৮-এ রুকুকে বউ সাজানো হচ্ছে, আর আবিদ তাকে নিয়ে পালানোর পরিকল্পনা করছে। নাভিদ-সুমুর বিয়ে শেষে সবাই খাওয়ায় ব্যস্ত, আর আবিদ রুকুর কাছে হাজির হয়। ইলমার বিয়ের পরিবর্তে ফাহিমের সাথে এয়ারপোর্টের পথে রওনা হয়, আর বাড়িতে চিন্তায় পড়ে সবাই।

ফাগুনের নবধারা | পর্ব ৭ | রুকুর বৃষ্টির স্মৃতি আর আবিদের বিয়ের প্রস্তাব

ফাগুনের নবধারা পর্ব ৭-এ রুকু বৃষ্টির মধ্যে সেই রাতের স্মৃতি ভাবে, আর আবিদের মা ইলমার সাথে তার বিয়ের প্রস্তাব দেয়। রুকু মুচকি হাসে, আবিদ রেগে যায়। নাভিদের স্মৃতিহীনতা আর সুমুর সাথে বন্ধুত্ব গভীর হয়, আর তাদের বিয়েও ঠিক হয়।

ফাগুণের নবধারা | পর্ব ৪ | নিহার আগমন আর রুকুর হাসি

ফাগুণের নবধারা পর্ব ৪-এ নিহা নামের ছোট্ট মেয়েটি রুকুর ঘরে হাজির হয়ে তাকে মামণি ডাকে, আর রুকুর মুখে ফিরে আসে প্রথমবারের মতো নিষ্পাপ হাসি। আবিদ দেখে অবাক হয় যে নিহা অন্য কারও সাথে এত মিশছে। রুকু আবিদের সাথে খাওয়ার টেবিলে গল্প করে, আর আবিদ জানায় সে পাইলট এবং নিহা তার দত্তক মেয়ে।

ফাগুণের নবধারা | পর্ব ১ | সুমুর বৃষ্টিতে ভিজে চা খাওয়ার স্বপ্ন

ফাগুণের নবধারা পর্ব ১-এ বৃষ্টিতে ভিজে সুমু নাভিদের সাথে কুল্ফি খায় আর হুমায়ূন আহমেদের কথা মনে করে চা খেতে চায় বৃষ্টিতে। নাভিদ ওকে গাড়িতে তোলে, জ্বরে ভোগে সুমু। বাড়িতে নিধি ও নিঝুমের ঠাট্টা-তামাশা, আর রুকু আসার খবরে নিঝুমের মন উৎফুল হয়।