ক্যাটাগরি ডার্ক রোমান্টিক গল্প

মন ফড়িং | পর্ব ১০ | ম্যান্ডির প্যারালাইজড অবস্থা আর মিস্টার ব্রন্ডের অনুশোচনা

মন ফড়িং পর্ব ১০-এ মিস্টার ব্রন্ড তার প্যারালাইজড স্ত্রী ম্যান্ডিকে নিয়ে আসেন এবং নিদ্রকে গিফট দেন। তিনি জানান, ম্যান্ডি সুইসাইড চেষ্টার পর এমন অবস্থায় পৌঁছেছেন। ক্যারিয়ারের জন্য তাকে অবহেলা করার অনুশোচনা করেন তিনি। ভালোবাসার মূল্য হারানোর বেদনার গল্প ফুটে ওঠে এই পর্বে।

প্রত্যাখান | পর্ব ১৩ | লাবণ্যর নীরবতা আর বিবেকের ডাক

প্রত্যাখান পর্ব ১৩-এ লাবণ্যর রুম গোলাপে সাজানো হয়, কিন্তু বিয়ের পরেও তাকে শারীরিক চাহিদায় ব্যবহার করা হয়। স্বামী মায়ের কথা উপেক্ষা করে ব্যস্ত থাকে। ভাবি হেনা সত্য ফাঁস করতেই তার বিবেক জেগে ওঠে, চোখে আসে অকাল অশ্রু।

তিনি এবং ও ! | পর্ব ৩৪ | সুফি সাহেবের অনুশোচনা আর নিদ্রের পথে ফেরা

তিনি এবং ও পর্ব ৩৪-এ নিদ্র সুফি সাহেবের বাড়ি থেকে পালিয়ে অদ্রির বাসায় ফিরে আসে। সুফি সাহেব ইখলাস সাহেবের নৃশংসতা ও ইতির আত্মহত্যার রহস্য উদঘাটন করেন। নিদ্র ভাবে, অদ্রিকে সত্য জানানো উচিত কিনা। অদ্রির মধ্যে আশার আলো ফিরে আসে, আর নিদ্র তার প্রতি আবেগ লুকোতে পারে না।

তিনি এবং ও ! | পর্ব ৩০ | নিদ্রের রক্তাক্ত স্বপ্ন আর অদ্রির চোখের জল

তিনি এবং ও পর্ব ৩০-এ নিদ্রের মাথায় দুটি প্রশ্ন মাথাব্যথা তৈরি করে। মৌরির সাথে দ্বন্দ্বের পর সে অদ্রির নম্বর চায়। রাতে ভয়াবহ স্বপ্ন দেখে যেখানে অদ্রির চোখ থেকে রক্ত পড়ে। নিদ্র ফোন করে অদ্রিকে স্বপ্নের কথা বলে, আর অদ্রি গভীর আবেগে প্রতিক্রিয়া জানায়, চোখের জলের রঙ নিয়ে দার্শনিক মন্তব্য করে।

তিনি এবং ও ! | পর্ব ২৯ | নিদ্রের রাতের ভয় আর মৌরির অদ্ভুত আমন্ত্রণ

তিনি এবং ও পর্ব ২৯-এ নিদ্র সুফি সাহেবের বাড়িতে রাতে ঘুমায়। মৌরি রাতের অন্ধকারে তার ঘরে প্রবেশ করে অদ্ভুত আচরণ করে এবং তাকে ঘুরতে যাওয়ার জন্য জোর দেয়। নিদ্র ভয়ে আতঙ্কিত হয়, দরজা লক করা সত্ত্বেও মৌরি ঢুকতে পারায় সে বাস্তব ও স্বপ্নের মধ্যে বিভ্রান্ত হয়। মৌরি রহস্যময়ভাবে বলে, স্বয়ং রাজপুত্র তাকে ক্ষত করেছে।

তিনি এবং ও ! | পর্ব ২৮ | সুফি সাহেবের অতীত আর ইখলাস সাহেবের নৃশংস পরিকল্পনা

তিনি এবং ও পর্ব ২৮-এ নিদ্র সুফি সাহেবের কাছে জানতে পারে ইখলাস সাহেবের ইয়াবা সেবন ও যৌন অক্ষমতার রহস্য। বিয়ের আগে থেকেই নারীসঙ্গ থেকে দূরে থাকায় অদ্রি তার অক্ষমতা বুঝতে পারেননি। ইখলাস সাহেব নিজের বৈবাহিক জীবন ধ্বংস করতে সুফিকে অদ্রির সাথে সম্পর্ক করতে বাধ্য করে। নিদ্র সব শুনে বিস্ফোরিত হয়।

তিনি এবং ও ! | পর্ব ২৬ | নিদ্রের অপ্রত্যাশিত আতিথ্য আর মৌরির মুখ টিপে হাসি

তিনি এবং ও পর্ব ২৬-এ নিদ্র সুফি সাহেবের বাড়িতে অপ্রত্যাশিত আতিথ্য পায়। মৌরির মুখ টিপে হাসি ও লেবুর শরবতে মুগ্ধ হয় সে। অদ্রি তার জন্য সাদা গোলাপ সাজায়, আর নিদ্র নতুন পোশাক ও ঘরের আয়োজনে বিচলিত হয়। মৌরির রহস্যময় আচরণ আর অদ্রির মনোযোগে নিদ্রের মন দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে।

তিনি এবং ও ! | পর্ব ২৪ | অদ্রির ভয়ানক স্বপ্ন আর নিদ্রের মনস্তাত্ত্বিক বিশ্লেষণ

তিনি এবং ও পর্ব ২৪-এ অদ্রির চোখের লালভাব দেখে নিদ্র উদ্বিগ্ন হয়। অদ্রি জানায় তার ভয়ানক স্বপ্ন যা দুই বছর ধরে তাকে তাড়া করছে। নিদ্র মনস্তাত্ত্বিকভাবে বিশ্লেষণ করে বলে, অদ্রি নিজেকে স্বামীর আত্মহত্যার জন্য দায়ী মনে করে পোস্টমর্টেমের কল্পনা করেন, যা স্বপ্নে জীবন্ত হয়ে ওঠে।

তিনি এবং ও ! | পর্ব ২১ | নিদ্রের চিরকুট, অদ্রির সাদা গোলাপ আর ইখলাস ভবনের রহস্য

তিনি এবং ও পর্ব ২১-এ নিদ্রের ঘরে সাদা গোলাপ ও চিরকুট পেয়ে অদ্রি বিচলিত হয়। চিরকুটে লেখা থাকে রাগ ছাড়া মনশ্চিত্ত করার কথা। নিদ্র রশিদ সাহেবকে নিয়ে ইখলাস ভবনের দিকে যায়, যেখানে এক ভুতুড়ে বাড়ির রহস্য ঘনীভূত হয়। অদ্রির অতীতের কথা ভেসে ওঠে, যখন তার স্বামী আত্মহত্যা করেন।

তিনি এবং ও ! | পর্ব ২০ | জ্বরের মধ্যে নিদ্রের মা-এর স্বপ্ন আর অদ্রির উদ্বেগ

তিনি এবং ও পর্ব ২০-এ জ্বরে ভুগছে নিদ্র, ঘুমের মধ্যে মাকে কাছে পায় এবং মনের কথা খুলে বলে—বিধবা অদ্রিকে ভালোবাসার কথা ও মায়ের প্রতি রাগ। অদ্রি চিন্তিত হয়ে তার পাশে থাকে, ডাক্তারের ইনজেকশন কাজ না করায় আতঙ্কিত হয়। রশিদ সাহেব মেয়ের জন্য মাটিতে শোয়ার সিদ্ধান্ত নেয়, আবেগে ভারাক্রান্ত হয় ঘর।

তিনি এবং ও ! | পর্ব ৭ | নিদ্রের রঙিন ঘর আর অদ্রির বিধবা সত্য

তিনি এবং ও পর্ব ৭-এ নিদ্র তার ঘরে উদ্ভট রঙ করে রশিদ সাহেবের প্রতিক্রিয়া দেখার অপেক্ষায় থাকে। অদ্রির লাল চোখে আবার ভয় পায়। রশিদ সাহেব লুঙ্গীতে রাবার যোগ করায় বিরক্ত হয়েন। নিদ্রের সাধারণ প্রশ্নে অদ্রি বজ্রকণ্ঠে জবাব দেয়—সে বিধবা, আর তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রশ্ন বন্ধ হোক।

প্রত্যাখান | পর্ব ৬ | লাবণ্যর বিয়ের প্রস্তাব আর ভাবির প্রতিবাদ

প্রত্যাখান পর্ব ৬-এ লাবণ্যর বিয়ের প্রস্তাব আসে এক বিবাহিত পুরুষের সাথে, যিনি দুই সন্তানের বাবা। ভাবি হেনা ও মা প্রতিবাদ করলেও লাবণ্য নিজেই রাজি হয়। পরিবারের চাপ, নৈতিক দ্বন্দ্ব আর লাবণ্যর নীরব আত্মত্যাগ ঘিরে তৈরি হয় আবেগঘন পরিস্থিতি।