ক্যাটাগরি ক্যাম্পাস লাইফ

ডুমুরের ফুল ৫ | জাদিদের ফোন আর হেমলতার প্রথম প্র্যাকটিস

ডুমুরের ফুল পর্ব ৫-এ জাদিদ হেমলতাকে রাতে ফোন করে পড়ার সাহায্য অফার করে। ফেসবুকে গণিতের সমাধান পাঠানো শুরু হয়, আর হেমলতা মনোযোগ দিয়ে প্র্যাকটিস করে। পরদিন নানী তাকে ঘুম না ভাঙার পর পড়তে দেখে অবাক হয়। পরীক্ষার চাপে হেমলতার উন্নতি শুরু হয়, আর জাদিদ তা উপভোগ করে।

ডুমুরের ফুল ৪ | ক্যালকুলেটর আর কেশবতীর প্রথম কথোপকথন

ডুমুরের ফুল পর্ব ৪-এ জাদিদ হেমলতার ক্যালকুলেটর ফেরত দিয়ে তাকে চমকে দেয়। ক্লাসে ও বাইরে তার সাথে ইচ্ছাকৃত বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। মিম্মা হেমলতাকে জাদিদের সাথে সম্পর্কের গুজব শোনায়। জাদিদ মনে মনে স্থির করে কেশবতীকে ফ্রেন্ড বানাবে, আর হেমলতা বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে এই অপ্রত্যাশিত মনোযোগে।

ডুমুরের ফুল ২ | পর্ব ২ | হেমলতার প্রথম দেখা জাদিদের

ডুমুরের ফুল পর্ব ২-এ হেমলতা কলেজের সামনে প্রথমবার দেখে জাদিদকে, ফরিদপুরের টপার ছাত্র। তার গোমড়া মুখ আর চিন্তাভার হেমলতাকে আকর্ষণ করে। বান্ধবী মিম্মার কাছে জানতে পারে তার পড়াশোনার খ্যাতি, কিন্তু সামাজিক আলাদা ভাব। রাতে ফেসবুকে তার ছবি খুঁজে হেমলতা মুগ্ধ হয় তার হাসির সৌন্দর্যে।

মন ফড়িং | পর্ব ৭ | অদ্রির অসুস্থতা আর রশীদ সাহেবের বিয়ের চিন্তা

মন ফড়িং পর্ব ৭-এ অদ্রি মাথার ব্যথা ও ভয়াবহ কল্পনার মধ্যে চোখ খোলে এবং নিজের রুমে ফিরে পায়। রীতা তাকে খাওয়ায়, আর রশীদ সাহেব তার মেয়ের বিয়ের জন্য বাড়ি চায়। অদ্রি তাদের জন্য নিজের বাড়ি দেয়, আশা ও পারিবারিক সম্পর্কের মধ্যে দিয়ে ঘুরে যায় গল্প।

মন ফড়িং | পর্ব ৬ | অদ্রির ভয়াবহ স্বপ্ন আর নিদ্রের একাকী তৃষ্ণা

মন ফড়িং পর্ব ৬-এ অদ্রি ভয়াবহ স্বপ্নে দড়ি দিয়ে গলা টিপে ধরা হয়, আর ঘুমের ঘোরে বমি করে। রীতা তাকে সামলায়। এদিকে নিদ্র বাবার সাথে তীব্র বাকবিতণ্ডার পর একাকী বিছানায় ভাবে অদ্রির কথা। দাদীর জন্য বাংলাদেশে যাওয়ার টাকা জোগাড়ের চাপ, বাবার মাতাল আচরণ আর অদ্রির প্রতি অস্বীকৃত আকাঙ্ক্ষা তাকে ঘিরে রাখে।

মন ফড়িং | পর্ব ৪ | কফি হাউজের আড্ডা আর নাজমুল সাহেবের স্মৃতি

মন ফড়িং পর্ব ৪-এ নাজমুল সাহেব কলেজ জীবনের স্মৃতি ভাবেন, বিশেষ করে মায়া মেয়েটির কথা, যে পরকীয়ার কারণে আত্মহত্যা করেছে বলে শোনা যায়। অদ্রি বমি করতে শুরু করে, আর নিদ্র নাম্মির সাথে কাজের আলোচনা করে। পরিবারের চাপ, অতীতের ছায়া আর নতুন সুযোগের টানাপোড়েন ঘিরে তৈরি হয় আবেগঘন পরিস্থিতি।

স্মৃতির পাতা | হৃদয়ের ছোটবেলার স্মৃতি আর ইতির অপূর্ণ ভালোবাসা

ইতি বারোজন পাত্র প্রত্যাখ্যান করেছে, কিন্তু কারণ জানে শুধু সে। ছোটবেলার হৃদয়ের স্মৃতি তার মনে এখনও জাগ্রত। ক্লাসের প্রথম দিন, পেয়ারা চুরি, ক্রিকেট ম্যাচ—সবই মনে পড়ে। হৃদয় কি তাকে মনে রেখেছে? নাকি শুধু ইতির মনেই জীবন্ত সেই স্মৃতি?

অবেলায় ভালোবাসা | পর্ব ২১ | চুহেসের বিদায় আর গাইথির ভয়

অবেলায় ভালোবাসা পর্ব ২১-এ চুহেস গাইথিকে রাবেয়া খালার অসুস্থতার কথা জানায় এবং ফ্রান্সে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। গাইথি মন খারাপে ভাসে, কিন্তু তাকে সামলে নেয়। চুহেস বিদায়ের সময় গাইথিকে ভালোবাসার স্বীকারোক্তি দেয়, আর গাইথি চোখের পানি লুকায় ঘোমটা টেনে।

অবেলায় ভালোবাসা | পর্ব ২০ | এংগেজমেন্টের মুহূর্ত আর চুহেসের গোপন যাত্রা

অবেলায় ভালোবাসা পর্ব ২০-এ চুহেস ও গাইথির এংগেজমেন্ট অনুষ্ঠানে কাপল ডান্স, আংটি পরানো এবং আবেগঘন মুহূর্ত উপস্থাপিত হয়। অনুষ্ঠানের পর চুহেস জানায় রাবেয়া খালার অসুস্থতার কারণে ফ্রান্সে তাড়াতাড়ি যেতে হবে, কিন্তু গাইথিকে এখনও সে কথা বলেনি।

অবেলায় ভালোবাসা | পর্ব ১৯ | চুহেসের কবিতা আর গাইথির শপিং ম্যানিয়া

অবেলায় ভালোবাসা পর্ব ১৯-এ চুহেস গাইথিকে নিরিবিলি প্রাকৃতিক জায়গায় নিয়ে যায় এবং তার জন্য লেখা কবিতা শোনায়, যেখানে তার ভালোবাসা ফুটে ওঠে। গাইথি মজে যায়, আর পরে শপিংয়ের নামে চার ঘন্টা ধরে চুহেসকে ঘোরায়। এদিকে নিধিপা এসে পড়ে আনন্দের মাঝে, আর এংগেজমেন্টের পরিকল্পনায় নাচের আয়োজন নিয়ে তৈরি হয় উত্তেজনা।

অবেলায় ভালোবাসা | পর্ব ১৮ | গাইথির সিদ্ধান্ত আর চুহেসের অপেক্ষা

অবেলায় ভালোবাসা পর্ব ১৮-এ গাইথি সাইমুমকে স্পষ্ট জানায় তাকে মেনে নিতে পারেনি। সাইমুম পায়ের কাছে বসে অনুনয় করলেও গাইথি দৃঢ় থাকে। চুহেস গাড়িতে অপেক্ষা করে, আধা ঘন্টার প্রতিশ্রুতি ভাঙায় গাইথি তাকে রাগান্বিত হয়।

অবেলায় ভালোবাসা | পর্ব ১৭ | চুহেসের বাসরঘর আর গাইথির লজ্জা

অবেলায় ভালোবাসা পর্ব ১৭-এ চুহেস গাইথিকে 'নেইজিনের নীড়' বাড়ির স্পেশাল রুম দেখায়, যা আসলে তাদের বাসরঘর। গাইথি লজ্জায় লাল হয়ে যায়। এদিকে সাইমুম গাইথির সাথে দেখা করতে চায়, আর চুহেস প্রতিশ্রুতি দেয় সে তাকে সাথে নিয়ে যাবে।