স্যার যখন স্বামী ২ | পর্ব ১৫ | বিবাহ বাতিল ও রঙের বিতর্ক
এই পর্বে তমা ও ফারিদের এনগেজমেন্টের মাঝখানে স্যার গায়ের রঙের ভিত্তিতে বিবাহ বাতিলের দাবি করেন, অতীতের স্মৃতি ও সামাজিক চাপের টানাপোড়েনা উন্মোচিত হয়। এবং প্রশ্ন
এই পর্বে তমা ও ফারিদের এনগেজমেন্টের মাঝখানে স্যার গায়ের রঙের ভিত্তিতে বিবাহ বাতিলের দাবি করেন, অতীতের স্মৃতি ও সামাজিক চাপের টানাপোড়েনা উন্মোচিত হয়। এবং প্রশ্ন
স্যার যখন স্বামী সিজন ২ পার্ট ৮‑এ আহাদ তার গোপন স্বীকারোক্তি প্রকাশ করে, মেঘের হৃদয়ভঙ্গ ও কল‑কাটের পর আবিরের সহানুভূতি দেখা যায়, পরিবারে তীব্র টেনশন বাড়ে। অনুভূতিতে
সাগরের প্রতারণায় ভেঙে পড়া মেঘ বিষ পান করে আত্মহত্যা করতে চায়। তবে সঠিক সময়ে এসে তাকে উদ্ধার করে এবং জীবনের মূল্য বুঝিয়ে দেন গল্পের নায়ক। বিস্তারিত পড়ুন।
বিয়ের দিনে সাগরের নিষ্ঠুর বিশ্বাসঘাতকতা ও প্রতিশোধের মুখে পড়ে মেঘের জীবন তছনছ হয়ে যায়। পরিবারের অপমান ও দুঃখে মেঘ কি পারবে নিজেকে সামলাতে?
আশফি আর মাহির ভালোবাসার গল্পের পরিসমাপ্তি। মাহি আর আশফি একে অপরকে ভুলে যেতে না দেওয়ার প্রতিজ্ঞা করে।
মাহি দুপুরকে বোঝানোর চেষ্টা করে, কিন্তু দুপুরের মন পরিবর্তন হয় না। মাহি ও আশফির মধ্যে ঝগড়া হয় এবং মাহি জাপান চলে যায়।
আলিশার আত্মহত্যার চেষ্টার খবর পেয়ে চাচ্চু ইংল্যান্ড থেকে ছুটে আসে। আশফি আলিশাকে বাঁচানোর জন্য মাহির সাথে কথা বলে। এদিকে চান্দুর ঘুম ভেঙ্গে যায় এবং মাহি আশফিকে শান্ত করার চেষ্টা করে।
মাহির মাতাল অবস্থায় হুয়াং চ্যাং এর সাথে দেখা এবং আশফির রাগ।
মাহি হুয়াং চ্যাং এর পার্টিতে যায় এবং সেখানে সে হুয়াং চ্যাং এর সাথে একটি ডিল সাইন করে। কিন্তু আশফি মাহিকে ফোনে পায় না এবং মাহির অবস্থা বুঝতে পারে না।
মাহি চান্দুকে কোলে নিয়ে বেলকনিতে দাড়িয়ে কথাগুলো বলছে। মাহি আশফির গাড়ি দেখে ড্রয়িংরুম এ চলে গেল। আশফি ড্রয়িংরুম এ ঢুকে চান্দু আর মাহিকে দেখে তার ক্লান্ত পরিশ্রান্ত মুখটা হাসিতে ভরে উঠলো।
আলিশা এক্সিডেন্ট করেছে। আশফি ও মাহি হসপিটালে ছুটে যায়। ডাক্তার জানায় আলিশার চোট সেরিয়াস নয়। বাড়িতে ওষুধ দিয়ে চিকিৎসা করা যাবে।
নুহাশ ও তিথির মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বৃদ্ধি পাচ্ছে, কিন্তু অভির হাত থেকে বাঁচতে তিথি নুহাশের কাছে আসে।