ক্যাটাগরি রোমান্টিক গল্প

অনুরাগ ২ | গানের সুরে ভাব আর হাতপা বাঁধা বউ

পুলকের বেলকোনি থেকে ভেসে আসা গানে মুগ্ধ হয়ে শ্রুতি, কিন্তু রাতের ঝগড়ায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। গালাগালির পর পুলক শ্রুতির হাতপা বাঁধে এবং ছাদে নিয়ে যায়, ভয় দেখায়। শ্রুতি ভয়ে কাঁপছে, আর পুলকের রূপ বদলাচ্ছে প্রেমিক থেকে শাসকে।

অনুরাগ | পর্ব ১ | বিবাহবার্ষিকীর চমক আর পুলকের দেরি

প্রথম বিবাহবার্ষিকীতে নতুন বউ সেজে পুলকের জন্য সাজে শ্রুতি, কিন্তু রাত ১টা ২০ মিনিটে ফেরা পুলকের উপর রাগে ফুঁসছে সে। পুলক কী করবে জানতে চায় না, শ্রুতির সারপ্রাইজ সাজ আর পুলকের অবহেলা নিয়ে তৈরি হয় টানাপোড়েন।

নীরবে ভালোবাসি | পর্ব ২৫ | পার্কের সুখ আর রাস্তার বিপদ

পার্কে তোহাকে নিয়ে ঘুরতে এসে কণা ও মেঘের মধ্যে সুখের মুহূর্ত ফিরে আসে, কিন্তু হঠাৎ রাস্তায় এক রহস্যময় লোক আবির্ভূত হয়ে কণাকে আটকায়। তোহা মাঝ রাস্তায় পড়ে যায় এবং গাড়িতে ধাক্কা খেয়ে আহত হয়। হাসপাতালে মেঘ কণাকে দায়ী করে সম্পর্ক ছিন্ন করে দেয়, চিরদিনের জন্য তাকে দেখা নিষেধ করে।

নীরবে ভালোবাসি | পর্ব ২৩ | ভাবির ক্ষমা আর মেঘের রহস্যময় মেসেজ

শায়লা কণার সামনে কেঁদে ক্ষমা চায়, আর মেঘের মাধ্যমে জানা যায় সামাদ ও ইকবালের পিছনে আছে বড় ষড়যন্ত্র। থানায় গিয়ে কণা জানতে পারে ইকবালের জেল হবে ৩-৪ বছর। বাজারে এক অচেনা লোক তার হাত ধরে ফেলে। ফিরে মেঘের ফোনে এক মেসেজ আসে—সব ঠিক মনে হলেও কিছু একটা ভুল হচ্ছে।

নীরবে ভালোবাসি | পর্ব ২০ | শায়লার গ্রেফতার আর ইকবালের রহস্যময় ফোন

শায়লা ও ইকবাল গ্রেফতার হলে কণা শান্তি পায়, কিন্তু ইকবাল তাকে আপন বলে ডাকে। হঠাৎ অচেনা ফোন আসে—আম্মুকে হুমকি দিয়ে শায়লা-ইকবালকে ছাড়ার দাবি। কণা বিপাকে পড়ে: আম্মু নাকি প্রতিশোধ?

নীরবে ভালোবাসি | পর্ব ১৮ | চাঁচির সত্য আর মেঘের আবেগ

তোহার অবস্থা সঙ্গীন দেখে কণার মন ভেঙে যায়। মেঘ সব ক্ষমা চায়, কিন্তু কণা সন্দেহ করে চাঁচি আসল দোষী। রুহান-পপিকে কিডন্যাপের নাটক করে সে চাঁচিকে ফাঁদে ফেলে সত্য বের করে। মেঘ ছাদে দাঁড়িয়ে থাকতে কণা তাকে জড়িয়ে ধরে সব জানায়। মেঘ কাঁদে, আবেগে ভাঙে।

নীরবে ভালোবাসি | পর্ব ১৭ | মেঘের অজ্ঞান হওয়া আর তোহার হাসপাতালে যাওয়া

মেঘ কণাকে খুন করতে চেয়েছে বলে সবাই তাকে ত্যাগ করে, কিন্তু কণা জানে মেঘ এমন করতে পারে না। হঠাৎ মেঘ এসে জড়িয়ে ধরে বলে, "তোহা হাসপাতালে", আর তারপরই অজ্ঞান হয়ে পড়ে। কণার মনে হচ্ছে কোথাও কিছু ভুল হচ্ছে।

নীরবে ভালোবাসি | পর্ব ১৬ | মেঘের চাকু আর শায়লার মেসেজ

কণা মেঘের ফোনে শায়লার মেসেজ পায়—"মেয়েটা বড্ড জ্বালাচ্ছে, ওকে আজ রাতেই শেষ করে দাও"। ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে সে অন্ধকারে পালাতে গেলে মেঘ তাকে ধরে হাতে আঘাত করে। চাকু হাতে মেঘ দাঁড়িয়ে থাকে, কিন্তু চোখে পানি। কণা চিৎকার করে ওকে প্রশ্ন করে—"আমি তোমাকে ভালোবাসতাম, তুমি কেন এমন করলে?"

নীরবে ভালোবাসি | পর্ব ১৪ | ডিভোর্স পেপার আর মেঘের মাতাল স্বীকারোক্তি

কণা ডিভোর্স পেপার হাতে পেয়ে বিপাকে পড়ে। শায়লার হুমকি, চাঁচির ষড়যন্ত্র, রুহানের দ্বন্দ্বে মন ভারী। রাতে মেঘ মাতাল অবস্থায় ফিরে সব ভাঙচোর করে, কিন্তু শেষে জড়িয়ে ধরে বলে—"আমি তোমাকে ভালোবাসি"। কণা বুঝতে পারে না, বিশ্বাস করবে নাকি আবার ভাঙবে মন।

নীরবে ভালোবাসি | পর্ব ১৩ | মেঘের ডিভোর্স পেপার আর শায়লার ষড়যন্ত্র

কণা মেঘের ফোনে শায়লার মেসেজ পায়—বিয়ের প্ল্যান ও ডিভোর্স পেপারের কথা। ফাইলে সেই ডকুমেন্ট খুঁজে পেয়ে মেঘের সামনে ধরে। মেঘ অস্বীকার করে, কিন্তু কণা ভেঙে পড়ে। শায়লার সম্পত্তির লোভ ও মেঘের প্রতি বিশ্বাসের দ্বন্দ্বে তার মন নাড়া খায়।

নীরবে ভালোবাসি | পর্ব ১২ | মেঘের জন্মদিনের সারপ্রাইজ আর শায়লার ষড়যন্ত্র

মেঘের জন্মদিনে কণা অজ্ঞান হয়ে পড়ে, জেগে উঠে দেখে মেঘ সারারাত তার পাশে ছিল। শায়লা তোহাকে নিতে এসে নতুন ষড়যন্ত্র করে। মেঘ রাতের ছাদে সাজিয়ে সারপ্রাইজ দেয়, কিন্তু শায়লা মেঘকে ডিভোর্সের কথা বলে। শেষে মেঘ কণাকে নিয়ে নতুন বাসরঘর সাজায়, সব ভুল ভুলে নতুন শুরুর ইঙ্গিত দেয়।

নীরবে ভালোবাসি | পর্ব ১১ | শায়লার ফিরে আসা আর মেঘের সারপ্রাইজ

শায়লা তোহাকে দেখতে এসে বাড়িতে চাঞ্চল্য তৈরি করে। মেঘের সারপ্রাইজ শাড়ি ফেলে দেয় কণা। রুহান-পপির বিয়ে নিয়ে সংঘাত আর মেঘ-কণার মধ্যে তীব্র ঝগড়া শীর্ষে পৌঁছায়, যখন কণা মেঘকে বলে—"নিজের স্বামীকে অন্য মেয়ের সাথে দেখার চেয়ে মরে যাওয়াই ভালো।"