ছায়া নীল! ৬
শারলিনের হাত কাটার পর নীল তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে দিয়েছে। নীল শারলিনের স্বপ্নের মানুষ, কিন্তু শারলিন বিয়ে ভেঙে যাওয়ার কারণে আত্মীয় স্বজনদের অনুপস্থিতিতে একা একা বাড়িতে ফিরে এসেছে।
শারলিনের হাত কাটার পর নীল তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে দিয়েছে। নীল শারলিনের স্বপ্নের মানুষ, কিন্তু শারলিন বিয়ে ভেঙে যাওয়ার কারণে আত্মীয় স্বজনদের অনুপস্থিতিতে একা একা বাড়িতে ফিরে এসেছে।
শারলিনের বিয়ের শাড়ী রক্তে ভিজে যাচ্ছে, অন্ধকারে ডুবে যাচ্ছে, নীলের হাত ধরে পথ খুঁজে পাচ্ছে। নীলের সাথে কথা বলছে, তার কষ্ট অনুভব করছে।
শারলিনের কপাল ফ্লোরে পরাতে ব্যথা পাওয়া এবং আফরোজার সাথে তার ব conversation । শারলিনের সন্দেহ ছায়া নীল সম্পর্কে।
শারলিনের কপাল ফ্লোরে পরাতে ব্যথা পাওয়া এবং আফরোজার সাথে তার ব conversation । শারলিনের সন্দেহ ছায়া নীল সম্পর্কে।
শারলিনের রুমে একা বসে আছে, ময়লার ঝুড়ির কাগজের টুকরো গুলোকে জোড়ার কথা ভাবছে। আফরোজা এসে বসে এবং বিয়ের প্রস্তাব দেয়। শারলিন বিয়ের আগে নীলকে খুঁজে বের করার কথা বলে।
সোনালীর পা মচকে গেছে, ডাক্তার দেখে টেস্ট দিয়েছে। শ্বশুড় হানিমুনের টিকেট দিচ্ছে, আর সোনালীকে আমার হাত ধরে হাঁটতে দিচ্ছে।
সোনালীর আব্বার সামনে সৌরভের হাত ধরে রাখা এবং শ্বশুড়ের শর্ত ভঙ্গের কারণে বাড়ী থেকে বেরিয়ে যেতে বলা। এরপর সৌরভ শ্বশুড়ের রুমে থাকতে শুরু করে।
সোনালীর সাথে বাসর ঘরে কাটানো প্রথম রাতের বিচিত্র অভিজ্ঞতা এবং শ্বশুড়ের শর্তের কারণে সোনালীর সাথে দূরত্ব বাড়ছে।
সোনালীর সাথে বাসর ঘরে কাটানো প্রথম রাতের বিচিত্র অভিজ্ঞতা এবং শ্বশুড়ের শর্তের কারণে সোনালীর সাথে দূরত্ব বাড়ছে।
বাসর ঘরে শ্বশুড়ের ভিডিও কল, সোনালীকে স্পর্শ না করার শর্ত, এবং বিয়ে পরবর্তী জীবনের প্রথম রাতের বিচিত্র অভিজ্ঞতা।
তন্ময় মেঘকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেয় এবং তার ভালোবাসার কথা জানায়। মেঘও তন্ময়কে ভালোবাসে এবং তারা দুজনেই একসাথে থাকার সিদ্ধান্ত নেয়।
মেঘের বাগানে হঠাৎ করে এক অজানা ছেলে ঢুকে পড়ে। মেঘ ভয় পেয়ে যায় এবং ছেলেটাকে সাবধান করে। ছেলেটা মেঘকে শান্ত করে এবং নিজের পরিচয় দেয়।