Love_at_1st_sight ৩ | পর্ব ৩৭ | স্নেহার সাহস আর রাহুলের ছবি
স্নেহা রাহুলের সাথে ভালোবাসার মুহূর্ত কাটায়, কিন্তু বাবা রাহুলের সাথে নেহার অশ্লীল ছবি দেখিয়ে তাকে চূর্ণ করে। চোখের জলে ভেঙে পড়ে স্নেহা, আর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়—রাহুলকে ভুলে যাবে।
স্নেহা রাহুলের সাথে ভালোবাসার মুহূর্ত কাটায়, কিন্তু বাবা রাহুলের সাথে নেহার অশ্লীল ছবি দেখিয়ে তাকে চূর্ণ করে। চোখের জলে ভেঙে পড়ে স্নেহা, আর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়—রাহুলকে ভুলে যাবে।
স্নেহার বাবা রাহুলের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তোলেন, স্নেহা মন ভাঙে কিন্তু রাহুলকে বাঁচাতে রিং ফেরত দেয়। রাহুল হতাশায় কাচ ভাঙে, রক্তাক্ত হাত নিয়ে মদে আত্মহত্যার চেষ্টা করে। স্নেহা তাকে বাঁচাতে ছুটে যায়, কিন্তু রাহুল চিৎকার করে বলে, "ভেতরের আত্মাটাই জলে যাচ্ছে!"
স্নেহা আর রাহুলের মধ্যে ভালোবাসার মুহূর্ত চলছে, কিন্তু সামির এসে সব বিশৃঙ্খল করে। রাহুলকে মারতে উসকানি দেয়, পুলিশ ডেকে গ্রেফতার করায়। স্নেহা ভেঙে পড়ে, আর সামির হুমকি দেয়—বিয়ের অনুষ্ঠান শেষ না হওয়া পর্যন্ত রাহুলের কষ্ট কমবে না।
স্নেহা পুলিশ স্টেশনে রাহুলের জন্য আবেগ নিয়ে হাজির হয়, পায়েল দিয়ে বাড়তি সময় কেনে। রাহুলের বাবার কাছে সাহায্য চায়, যিনি তাকে নিয়ে পুলিশ স্টেশনে আসেন। রাহুল মুক্ত হয়, কিন্তু স্নেহাকে নিয়ে রাগ প্রকাশ করে, বাবার সাহায্য অগ্রাহ্য করে।
স্নেহা রাহুলের বাবার কাছে কৃতজ্ঞতা জানায়, আর রাহুল তার পরিবারের গোপন ইতিহাস ফাঁস করে। এক আবেগঘন মুহূর্তে স্নেহা রাহুলের পিঠে মেডিসিন লাগায়, আর উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। শেষে স্নেহা বাবার চাপে সামিরের সাথে এনগেজমেন্টের কথা জানায় আর রাহুলের সাথে পালিয়ে যাওয়ার সাহস দেখায়।
স্নেহা রাহুলের প্রস্তাব মেনে নেয় এবং তার সাথে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। রাহুলের বন্ধুরা খুশি হয়ে উদযাপন করে। স্নেহা বাবাকে দেখতে যায়, কিন্তু বাবা তাকে তালাক দেয়। রাহুল তাকে উদ্ধারের জন্য ছুটে যায়, কিন্তু স্নেহা নিখোঁজ হয়।
স্নেহা সামিরের কবলে পড়ে সানফ্লাওয়ার গার্ডেনে আটকা পড়ে, রাহুল তাকে উদ্ধার করতে ছুটে যায়। নেহার বাসায় রাহুলের রাগের মুখে পেট্রোল ঢালা হয়। মার্জান অপ্রত্যাশিতভাবে হাজির হয়ে মরিচের গুঁড়ো ছুঁড়ে সবাইকে বাঁচায়। পালিয়ে আসার পথে সবাই হাসতে হাসতে মার্জানের সাহসের প্রশংসা করে।
স্নেহার পা কেটে যায়, রাহুল সেখানে পায়েল পরায় রোমান্টিক ভঙ্গিতে। বাড়িতে ঢুকতেই স্নেহার বাবাকে দেখে ভয় পায় সে, কিন্তু রাহুল তাকে জোড়ে কোলে তুলে নেয়। বাবার সামনেই স্নেহাকে চুমু দেয় রাহুল, আর বাড়িতে হাসির রোল পড়ে। পরে বন্ধুরা স্নেহার বাবাকে রাহুলের প্রশংসা করে মন বদলায়।
স্নেহা আর রাহুলের মধ্যে মিষ্টি কথোপকথন চলছে, কিন্তু মার্জান ফোন কেড়ে নেয়। পরদিন রাহুল স্নেহার বাসায় আসে মেসেজের হুমকি নিয়ে, যা মার্জান-জারিফা পাঠিয়েছিল। স্নেহা বুঝতে পারে বন্ধুরা মোবাইল হ্যাক করেছে। রাহুল তাকে কোলে তুলে নিয়ে যায়, আর মার্জান দলবেঁধে গোপন প্ল্যানে বেরোয়।
স্নেহা আর রাহুল একসাথে ড্রাইভ করছে, কিন্তু মেসেজের ভুল বোঝাবুঝি আর স্নেহার মন খারাপ নিয়ে উত্তেজনা বাড়ে। রাহুলের মনোযোগ হারানোয় প্রায় দুর্ঘটনা ঘটে। বিয়ের আগের চাপে স্নেহা বিভ্রান্ত, আর রাহুল তাকে খুশি করতে আইসক্রিম ডেটে নিয়ে যায়। শেষে অপ্রত্যাশিত অতিথি এসে হাজির হয়।
রাহুলের বাবা-মা স্নেহার বাসায় হাজির হয়ে সবাইকে অবাক করে দেয়। তাদের একসাথে আসায় স্নেহা আশ্চর্য, আর রাহুলের মা ঘোষণা করেন গায়ে হলুদ আজ রাতেই হবে। মার্জান ফ্লাশব্যাকে জানায়, কীভাবে তারা রাহুলের মাকে রাজি করায়। স্নেহা রাহুলকে জরুরি ডাকে।
স্নেহার গায়ে-হলুদ উৎসবে রাহুলের রোমান্টিক এন্ট্রি, পালকিতে চড়ে হলে প্রবেশ। রাহুল গান গেয়ে স্নেহাকে নিয়ে যায় স্টেজে, চুমু দিয়ে ভালোবাসা জাহির করে। মার্জান-আসিফের ঝগড়া, জারিফা-রিদোয়ানের রোমান্সে মন ভরে ওঠে। স্নেহা রাহুলের ঢং নিয়ে মজা করে, আর রাহুল চুইংগাম দিয়ে তাকে চুপ করায়।