সিরিজ নীরবে ভালোবাসি

নীরবে ভালোবাসি | পর্ব ১৩ | মেঘের ডিভোর্স পেপার আর শায়লার ষড়যন্ত্র

কণা মেঘের ফোনে শায়লার মেসেজ পায়—বিয়ের প্ল্যান ও ডিভোর্স পেপারের কথা। ফাইলে সেই ডকুমেন্ট খুঁজে পেয়ে মেঘের সামনে ধরে। মেঘ অস্বীকার করে, কিন্তু কণা ভেঙে পড়ে। শায়লার সম্পত্তির লোভ ও মেঘের প্রতি বিশ্বাসের দ্বন্দ্বে তার মন নাড়া খায়।

নীরবে ভালোবাসি | পর্ব ১৪ | ডিভোর্স পেপার আর মেঘের মাতাল স্বীকারোক্তি

কণা ডিভোর্স পেপার হাতে পেয়ে বিপাকে পড়ে। শায়লার হুমকি, চাঁচির ষড়যন্ত্র, রুহানের দ্বন্দ্বে মন ভারী। রাতে মেঘ মাতাল অবস্থায় ফিরে সব ভাঙচোর করে, কিন্তু শেষে জড়িয়ে ধরে বলে—"আমি তোমাকে ভালোবাসি"। কণা বুঝতে পারে না, বিশ্বাস করবে নাকি আবার ভাঙবে মন।

নীরবে ভালোবাসি | পর্ব ১৫ | মেঘের মিথ্যা বিয়ে আর তোহার কিডন্যাপ

মেঘ মিথ্যা বলে শায়লাকে বিয়ে করতে যাচ্ছে শুনে কণা ভেঙে পড়ে। পরে জানতে পারে সব ফাঁকি। চাঁচি আর শায়লা তোহাকে কিডন্যাপ করে। কণা চাঁচিকে ভয় দেখিয়ে ঠিকানা নেয়। মেঘ শায়লার বাসায় থাকে দেখে কণা বিভ্রান্ত হয়। তোহা ফিরে পেলেও মেঘের দ্বৈত চরিত্রে আঘাত পায় সে।

নীরবে ভালোবাসি | পর্ব ১৬ | মেঘের চাকু আর শায়লার মেসেজ

কণা মেঘের ফোনে শায়লার মেসেজ পায়—"মেয়েটা বড্ড জ্বালাচ্ছে, ওকে আজ রাতেই শেষ করে দাও"। ভয়ে আতঙ্কিত হয়ে সে অন্ধকারে পালাতে গেলে মেঘ তাকে ধরে হাতে আঘাত করে। চাকু হাতে মেঘ দাঁড়িয়ে থাকে, কিন্তু চোখে পানি। কণা চিৎকার করে ওকে প্রশ্ন করে—"আমি তোমাকে ভালোবাসতাম, তুমি কেন এমন করলে?"

নীরবে ভালোবাসি | পর্ব ১৭ | মেঘের অজ্ঞান হওয়া আর তোহার হাসপাতালে যাওয়া

মেঘ কণাকে খুন করতে চেয়েছে বলে সবাই তাকে ত্যাগ করে, কিন্তু কণা জানে মেঘ এমন করতে পারে না। হঠাৎ মেঘ এসে জড়িয়ে ধরে বলে, "তোহা হাসপাতালে", আর তারপরই অজ্ঞান হয়ে পড়ে। কণার মনে হচ্ছে কোথাও কিছু ভুল হচ্ছে।

নীরবে ভালোবাসি | পর্ব ১৮ | চাঁচির সত্য আর মেঘের আবেগ

তোহার অবস্থা সঙ্গীন দেখে কণার মন ভেঙে যায়। মেঘ সব ক্ষমা চায়, কিন্তু কণা সন্দেহ করে চাঁচি আসল দোষী। রুহান-পপিকে কিডন্যাপের নাটক করে সে চাঁচিকে ফাঁদে ফেলে সত্য বের করে। মেঘ ছাদে দাঁড়িয়ে থাকতে কণা তাকে জড়িয়ে ধরে সব জানায়। মেঘ কাঁদে, আবেগে ভাঙে।

নীরবে ভালোবাসি | পর্ব ১৯ | চাঁচির চাকু আর মেঘের স্মৃতি

চাঁচি পপির গলায় চাকু ধরে সংকট সৃষ্টি করে। পুলিশ আসার পর ধস্তাধস্তির মধ্যে পপির হাতে আঘাত লাগে। মেঘ কণাকে ক্ষমা চায় আর ছোটবেলার স্মৃতি শেয়ার করে—কীভাবে চাচ্চু তাকে বাঁচাতে গিয়ে মারা যান। চাঁচি সেদিনের ঘটনার জন্য মেঘকে দায়ী করে।

নীরবে ভালোবাসি | পর্ব ২০ | শায়লার গ্রেফতার আর ইকবালের রহস্যময় ফোন

শায়লা ও ইকবাল গ্রেফতার হলে কণা শান্তি পায়, কিন্তু ইকবাল তাকে আপন বলে ডাকে। হঠাৎ অচেনা ফোন আসে—আম্মুকে হুমকি দিয়ে শায়লা-ইকবালকে ছাড়ার দাবি। কণা বিপাকে পড়ে: আম্মু নাকি প্রতিশোধ?

নীরবে ভালোবাসি | পর্ব ২১ | মামার আগমন আর সামাদের রহস্য

কণা আম্মুকে বিপদ থেকে বাঁচাতে জোর করে দেশে ডাকে। এয়ারপোর্টে আম্মুর পিছনে সামাদ বসে থাকার হুমকি পায়। মামা হিসেবে সামাদের আগমনে চাঞ্চল্য, কিন্তু আম্মুর চোখে ভয়। কে এই সামাদ? পরিবারের গোপন রহস্য ফাঁস হতে চলেছে।

নীরবে ভালোবাসি | পর্ব ২২ | মামার সত্য আর ইকবালের আত্মসমর্পণ

মামা হিসেবে সামাদের আগমনে পরিবারে চাঞ্চল্য। আম্মু ফাঁস করে দেন সত্য: মামাই খুন করেছিল শায়লার ভাবিকে। ইকবাল জানতে পারে তার আব্বুই প্রকৃত দোষী। আত্মসমর্পণের মাধ্যমে সে প্রতিশোধের পথ ছেড়ে ন্যায়ের পথ বেছে নেয়।

নীরবে ভালোবাসি | পর্ব ২৩ | ভাবির ক্ষমা আর মেঘের রহস্যময় মেসেজ

শায়লা কণার সামনে কেঁদে ক্ষমা চায়, আর মেঘের মাধ্যমে জানা যায় সামাদ ও ইকবালের পিছনে আছে বড় ষড়যন্ত্র। থানায় গিয়ে কণা জানতে পারে ইকবালের জেল হবে ৩-৪ বছর। বাজারে এক অচেনা লোক তার হাত ধরে ফেলে। ফিরে মেঘের ফোনে এক মেসেজ আসে—সব ঠিক মনে হলেও কিছু একটা ভুল হচ্ছে।

নীরবে ভালোবাসি | পর্ব ২৪ | মেঘের সন্দেহ আর অচেনা লোকের চিঠি

মেঘ রহস্যময় মেসেজের পর অন্যমনস্ক হয়ে পড়ে। কণা তার ফোনে কিছু খুঁজতে চায়, কিন্তু মেঘ সব লুকায়। রেস্টুরেন্টে আবার সেই অচেনা লোক হাজির হয়, কণাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করে এবং একটি চিঠি দেয়। কণা বুঝতে পারে তাকে জালে ফেলা হচ্ছে। মেঘ ছবি দেখে তাকে সন্দেহ করে, কিন্তু তোহার সারপ্রাইজ মালা দিয়ে উভয়কে একসাথে ঘুরতে বাধ্য করে।