চলো হারিয়ে যাই
এই আবেগঘন কবিতায় সাহরিয়ার শেখ সাব্বির প্রিয়জনকে নিয়ে হারিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে সুখের ভেলায় ভাসার ইচ্ছা প্রকাশ করেন, যেখানে ভালোবাসার গভীর আবেগ ও অবহেলার ভয় একসাথে জড়িয়ে আছে।
এই আবেগঘন কবিতায় সাহরিয়ার শেখ সাব্বির প্রিয়জনকে নিয়ে হারিয়ে যাওয়ার মাধ্যমে সুখের ভেলায় ভাসার ইচ্ছা প্রকাশ করেন, যেখানে ভালোবাসার গভীর আবেগ ও অবহেলার ভয় একসাথে জড়িয়ে আছে।
ভালোবাসার গভীর অর্থ তুলে ধরে এই আবেগঘন কবিতা। মনের আকাশে প্রিয়জনের নাম লিখে দেওয়া, আর সেই আকাশ বিক্রি করা ভালোবাসার দামে—এক অনন্য রূপকের মাধ্যমে হৃদয়ের আবেগ ফুটে উঠেছে।
ভালোবাসার মায়াজালে আবদ্ধ হৃদয়ের কবিতাময় অনুভূতি তুলে ধরেছে এই আবেগঘন গান। কাছে টেনে ভালোবাসায় ভরিয়ে দেওয়ার আকুতি মিশে আছে প্রতিটি পঙ্ক্তিতে।
রুপা মিলনকে ছেড়ে ধনী হাসিফের কাছে গেলেও ঠকে একাকী ফিরে আসে। বাউল সংসারের সহজ ভালোবাসা আর আর্থিক দৈন্যের মধ্যে সে বেছে নেয় ভুল পথ। কিন্তু সত্যিকারের ভালোবাসার মূল্য বুঝতে দেরি হয় না। এক মর্মস্পর্শী প্রেম ও পশ্চাত্তাপের গল্প।
শ্রুতির হাতে পুলকের সঙ্গে অপরিচিত মেয়ের ছবি আসে। ঈশাণের মাধ্যমে রবিনের কাছ থেকে জানা যায়, পুলক নিষিদ্ধ পল্লিতে ছিল। শ্রুতি ভেঙে পড়ে, আত্মহত্যার চেষ্টা করে। পুলক রাতে হাসিমুখে ফিরে শ্রুতি ও ঈশাণকে একসাথে দেখে রেগে আগুন হয়। চড়াঘাতে রক্তাক্ত হয় শ্রুতির ঠোঁট।
ফারহান প্রাপ্তিকে স্পষ্ট করে জানায় সে কতটা ভালোবাসে। প্রাপ্তি তার কথা শুনে কাঁদে, আবেগে ভেঙে পড়ে। নীরা ও পরিবারের সদস্যরা প্রাপ্তির প্রতি ফারহানের মনোভাব নিয়ে মজা করে। প্রাপ্তি ধীরে ধীরে নিজের ভুল বুঝতে শুরু করে।
প্রাপ্তি ফুফুর বাড়িতে এসেছে। ফুফি তাকে এবং নীরাকে এক রুমে রেখে দিয়েছে। প্রাপ্তি ফারহানের সাথে ফোনে কথা বলে। ফারহান প্রাপ্তিকে রাগাতে ভালোবাসে। প্রাপ্তি আয়ানের সাথে এসএমএস করে। আয়ান প্রাপ্তিকে পছন্দ করে।
প্রাপ্তি নামে এক মেয়ে তার পরিবার ও বন্ধুদের সাথে কাটানো সময় এবং তার জীবনের নতুন অভিজ্ঞতার কথা বলে।
আয়ান তানিশাকে ভালোবাসে কিনা সে জানে না, তানিশাকে তার ভালোলাগে। আয়ানের মা তানিশাকে আয়ানের বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছে কয়েক দিনের জন্য। আয়ান তানিশাকে মিস করছে।
সকাল থেকে বৃষ্টি, বিকাল ৫টায় আয়ানের বাসায় যাওয়ার পথে তার সাথে এক মেয়ের দেখা হয়। মেয়েটি সুন্দর হওয়ায় আয়ান তাকে ভুলতে পারে না। ৩ বছর পরেও আয়ান মেয়েটিকে খুঁজে পায়নি।
শিহাবের পরিবর্তন, নিশুর উদ্বেগ, অনিকের বাসায় নিশু, আবিরকে নিয়ে শিহাবের মনোযোগ, অনিকের সাথে নিশুর কথা, অঘটনায় অনিকের মৃত্যু, ২০ বছর পর আবিরের দেশে ফেরা
নিশু আর অনিকের সংসার ভালোই চলছে, কিন্তু অনিকের মা নিশুকে মেনে নিতে কুন্ঠাবোধ করছেন। নিশু রান্না করতে গিয়ে আনিকার সাথে কথা বলছিল, তখন আনিকা রাফিকে ভালোবাসে বলে জানায়। অনিক নিশুকে তার মায়ের সাথে কথা বলতে বলে। নিশু অসুস্থ বোধ করছে।