ট্যাগ ক্যাম্পাস লাভ

ডুমুরের ফুল ১১ | শেষ পর্ব | হেমলতার ভালোবাসা আর জাদিদের স্বীকারোক্তি

ডুমুরের ফুল পর্ব ১১-এ হেমলতা প্রাকটিক্যাল পরীক্ষায় বিষাক্ত লবণ চেখে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। জাদিদ তাকে দেখতে আসে এবং তার হাত ধরে ভালোবাসা স্বীকার করে। হেমলতাও তার প্রতি অনুভূতি জানায়। দুজনের মধ্যে গভীর আবেগের মুহূর্ত ঘিরে ওঠে, আর জাদিদ তাকে 'কেশবতী' বলে ডাকে।

ডুমুরের ফুল ৪ | ক্যালকুলেটর আর কেশবতীর প্রথম কথোপকথন

ডুমুরের ফুল পর্ব ৪-এ জাদিদ হেমলতার ক্যালকুলেটর ফেরত দিয়ে তাকে চমকে দেয়। ক্লাসে ও বাইরে তার সাথে ইচ্ছাকৃত বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। মিম্মা হেমলতাকে জাদিদের সাথে সম্পর্কের গুজব শোনায়। জাদিদ মনে মনে স্থির করে কেশবতীকে ফ্রেন্ড বানাবে, আর হেমলতা বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে এই অপ্রত্যাশিত মনোযোগে।

ডুমুরের ফুল ২ | পর্ব ২ | হেমলতার প্রথম দেখা জাদিদের

ডুমুরের ফুল পর্ব ২-এ হেমলতা কলেজের সামনে প্রথমবার দেখে জাদিদকে, ফরিদপুরের টপার ছাত্র। তার গোমড়া মুখ আর চিন্তাভার হেমলতাকে আকর্ষণ করে। বান্ধবী মিম্মার কাছে জানতে পারে তার পড়াশোনার খ্যাতি, কিন্তু সামাজিক আলাদা ভাব। রাতে ফেসবুকে তার ছবি খুঁজে হেমলতা মুগ্ধ হয় তার হাসির সৌন্দর্যে।

নিশ্চুপ বালিকা | অন্তিম পর্ব | নূপুরের সন্ধান আর ভালোবাসার প্রস্তাব

নিশ্চুপ বালিকা অন্তিম পর্বে শুভ্র দূর্ঘটনার স্থলে নীলিমার নূপুর খুঁজে পায়, আর্তনাদ করে মাটিতে বসে পড়ে। তখনই বাসে চিপস খাওয়া নীলিমাকে দেখতে পায়। তাকে নামিয়ে এনে ভালোবাসার কথা জানায়। শাকিলার কলে সব সত্য ফাঁস হয়। শেষে বুকে জড়িয়ে নীলিমাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয় শুভ্র, আর নীলিমা হাসি-চোখে জবাব দেয়—সন্তানের মাও হতে চায়।

নিশ্চুপ বালিকা | পর্ব ৫ | প্রিন্সিপালের ডাক আর নীলিমার বাসার সমাধান

নীলিমা প্রিন্সিপালের ডাকে উদ্বিগ্ন হয়ে রুমে যায়। প্রিন্সিপাল মেম তার বাসার সমস্যা জেনে নীলিমাকে নিজের বাসায় থাকার ব্যবস্থা করে দেন। শুভ্রকে নির্দেশ দেওয়া হয় কাল থেকে নীলিমাকে আনতে। নীলিমার চিন্তা কাটে, আর শুভ্রের মনে ফুটে ওঠে মৃদু হাসি।

নিশ্চুপ বালিকা | পর্ব ২ | বাসার সংকট আর শুভ্রের সাহায্যের আহ্বান

নীলিমা বাসায় জায়গার অভাবে চাপে পড়ে। ক্যাম্পাসে শুভ্রকে দেখে সাহায্য চায় বাসা খুঁজতে। শুভ্র তাসনিয়ার সাথে ঝগড়া করে মন খারাপ করে রেখেছে। নীলিমার আহ্বানে সাড়া দেয় সে, আজই এলাকা ঘুরিয়ে বাসা খুঁজতে রাজি হয়। প্রেমের প্রথম পদক্ষেপ শুরু হয় এই পর্বে।

নিশ্চুপ বালিকা | পর্ব ১ | প্রথম দেখা আর চোখে চোখে ভালোবাসা

অনার্স প্রথম বর্ষের নবীন ছাত্রী নীলিমা আর চতুর্থ বর্ষের নেতা শুভ্রের প্রথম দেখা। চুপচাপ স্বভাবের নীলিমা ক্লাসের পিছনে একা বসে থাকে, আর শুভ্র তার মায়ামাখা চোখে হারিয়ে যায়। বরণ অনুষ্ঠানে তাকে ফুল দেয়, কথা বলে। ক্যাম্পাসে আড্ডায় যোগ দিতে বলে। শেষে কলেজ গেটে আবার দেখা, পরিচয় হয়। প্রেমের শুরু এই পর্বে।

Love_at_1st_sight ৩ | পর্ব ৫ | স্নেহার ডান্স প্রতিযোগিতা আর রাহুলের তেডি স্মাইল

স্নেহা রাহুলের গান শুনছিল, কিন্তু রাহুল নেহাকে পার্টনার করে ডান্সে নামে। সামিরের জোর করা ডান্সে অস্বস্তিতে পড়ে স্নেহা। রাহুল তাকে উদ্ধার করে একটি ক্লাসে নিয়ে যায়, যেখানে তারা আটকা পড়ে। ভয় আর টানাপোড়েনের মধ্যে স্নেহা রাহুলের ডান্স পার্টনার হওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। অবশেষে বিনা রিহার্সালে অসাধারণ পারফরম্যান্স দিয়ে তারা সিলেক্ট হয়।

Love_at_1st_sight ৩ | পর্ব ৪ | স্নেহার নাচ আর রাহুলের হাত চেপে ধরা

স্নেহা রাহুলের সাথে নাচতে গিয়ে মেমের সামনে ধরা পড়ে। রাহুল তাকে পার্টনার হিসেবে চায়, কিন্তু আবেগে তার হাত চেপে ধরে আঘাত করে। স্নেহার চোখের জলে রাহুল ভেঙে পড়ে। আসিফ তাকে সামলায় এবং বন্ধুদের মাধ্যমে স্নেহাকে ইম্প্রেস করার পরামর্শ দেয়।

Love_at_1st_sight ২ | পর্ব ৮ | স্নেহার ড্রামা আর রাহুলের তেডি স্মাইল

স্নেহা রাহুলকে জেলাস করাতে সামিরের সাথে ঘনিষ্ঠ হয়, রাহুল তাকে আটকে রেগে যায়। স্নেহা জানায় সামিরের সাথে ডেটিং করবে, রাহুল আঘাত পায়। সামির স্নেহার চুল সরায়, নখ দেখে—রাহুল বুঝে ফেলে তার উদ্দেশ্য। কিন্তু স্নেহার ড্রামা দেখে রাহুলের হাসি পায়, চোখ না সরাতে পারে।