সর্বনাশের দিনে | প্রথম দেখা
সর্বনাশের দিনে পর্ব ১-এ শিবপুর কলেজ গেটে প্রথমবার মুখোমুখি হয় তারা। লজ্জায় রাঙা গালে এক অচেনা প্রেমের সূচনা, চোখে চোখ রেখে কথা হয় না, তবু মন ভরে ওঠে অপরূপ আবেগে।
সর্বনাশের দিনে পর্ব ১-এ শিবপুর কলেজ গেটে প্রথমবার মুখোমুখি হয় তারা। লজ্জায় রাঙা গালে এক অচেনা প্রেমের সূচনা, চোখে চোখ রেখে কথা হয় না, তবু মন ভরে ওঠে অপরূপ আবেগে।
তিনি এবং ও পর্ব ১৫-এ নিদ্র অদ্রির তিতা চায়ে মশলার গন্ধ নিয়ে মজার তর্ক করে। রাতে হঠাৎ বৃষ্টি নামে, নিদ্র ছাদে উঠে ভিজতে থাকে। অদ্রি তাকে ধরতে গিয়ে নিজেও ভিজে যায়। নিদ্র তাকে কাছে টেনে জড়িয়ে ধরে এবং কানে কানে বলে—"সুন্দর মুহূর্ত কে আরো সুন্দর করে তুলতে পারেন আপনি"। অদ্রি বিস্ময়ে আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে।
অবেলায় ভালোবাসা পর্ব ১৭-এ চুহেস গাইথিকে 'নেইজিনের নীড়' বাড়ির স্পেশাল রুম দেখায়, যা আসলে তাদের বাসরঘর। গাইথি লজ্জায় লাল হয়ে যায়। এদিকে সাইমুম গাইথির সাথে দেখা করতে চায়, আর চুহেস প্রতিশ্রুতি দেয় সে তাকে সাথে নিয়ে যাবে।
মাঝরাতে শিয়ালের ডাকে ভয় পেয়ে আনহা আরাভকে জড়িয়ে ধরে। হোটেলে বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় অন্ধকারে হারিয়ে যায় সে, আরাভ থাপ্পড় মেরে খুঁজে পায়। কাঁদতে কাঁদতে জড়িয়ে ধরার পর আরাভের রাগ মিটে। সকালে আনহা ভালোবাসার কথা বলতে চায়, আরাভের কাজিনের কিসের গল্পে লজ্জায় চুপ।
নীলিমা আন্টির বাসা ছেড়ে প্রিন্সিপাল মেমের বাসায় আসে। রাস্তায় শুভ্রের সাথে ধাক্কা লাগে, যে তাকে ধরে রাখে। খাবার টেবিলে শুভ্র আসে এবং নীলিমা জানতে পারে সে প্রিন্সিপালের ছেলে। লজ্জায় নীলিমা মাথা নিচু করে। প্রেমের গোপন টান আর কৌতূহল জমে ওঠে।
নিরুর জ্বরে অসুস্থ অবস্থায় শুভ তার সেবা করে, কিন্তু ওয়াশরুমে ভিজে থাকা নিরুকে দেখে আবেগে হারিয়ে যায়। শুভের বুকের লোমশ দেহ দেখে নিরু লজ্জায় আর আকর্ষণে মুগ্ধ হয়। উভয়ের মধ্যে চোখাচোখি আর স্পর্শে জমে ওঠে নতুন তীব্র আবেগ।
নিরু শাড়ি পড়তে গিয়ে লজ্জায় পেট খুলে যায়, শুভ রাগে তাকে শাস্তি দেয়। ফুপি শাশুড়ি তাকে শাড়ি পড়া শেখায়। পার্লারে সাজে নিরু, শুভ মুগ্ধ হয়। ফটোশ্যুটে নিরুর লজ্জা দেখে আনন্দ পায় শুভ। রাতে ঘুমন্ত নিরুকে কোলে তুলে নেয়। পরদিন শুভ তাকে ফুলসজ্যা দেখাতে চায়।
স্নেহা আর রাহুল কুয়াশাচ্ছন্ন শিপে একাকী সময় কাটায়, যেখানে রাহুল স্নেহার নাকের লাল ভাব দেখে লজ্জা পায়। ডিনারের পর রাহুল স্নেহার এলার্জি মনে রেখে খাবার পাল্টায়। স্নেহার মায়ের ফোনে পরিবারের সংকট জানা যায়। শেষে টাইটানিক পোজে দাঁড়িয়ে রাহুল স্নেহাকে চুমু দেয়।
স্নেহা রাহুলের তেডি স্মাইলে মুগ্ধ হয়, কিন্তু রাহুল নেহাকে নিয়ে দাদীর সাথে ঝগড়ায় জড়ায়। ক্যান্টিনে সামিরের সাথে কথা বলতে দেখে রাহুল ঈর্ষায় জ্বলে। বাড়িতে ফিরে স্নেহাকে কাছে টেনে নাচায়, হাত ঘষে তাকে লজ্জিত করে। স্নেহা ছুটে পালায়, রাহুল হেসে বলে—মিস ড্রামাকুইন!
বিয়ের পর স্নেহা ও রাহুল তাদের ঘরে প্রবেশ করে। রাহুলের রুম ক্যান্ডেললাইট ও গোলাপ ফুলে সাজানো। স্নেহা লজ্জায় ঘোমটা তুলতে রাহুলকে উৎসাহিত করে, আর রাহুল তার উত্তেজনা লুকাতে পারে না। জুয়েলারি খোলার ছলে কাছাকাছি আসা, গালে চুম্বন, আর টেনশনে ভরা মুহূর্ত—প্রেমের প্রথম রাতের শুরু।
প্রাপ্তি ফারহানের সাথে লজ্জায় আচ্ছন্ন হয়ে রুম ছাড়তে চায়, কিন্তু ফারহান তাকে আটকায়। সুমির অনভিপ্রেত মন্তব্যে প্রাপ্তি আরও লজ্জিত হয়। ফারহান মিথ্যা বলে প্রাপ্তিকে খাওয়ায়, আর রাতে তাকে নিজের বুকে শোয়ায়।