Love_at_1st_sight ৩ | পর্ব ৩৭ | স্নেহার সাহস আর রাহুলের ছবি
স্নেহা রাহুলের সাথে ভালোবাসার মুহূর্ত কাটায়, কিন্তু বাবা রাহুলের সাথে নেহার অশ্লীল ছবি দেখিয়ে তাকে চূর্ণ করে। চোখের জলে ভেঙে পড়ে স্নেহা, আর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়—রাহুলকে ভুলে যাবে।
স্নেহা রাহুলের সাথে ভালোবাসার মুহূর্ত কাটায়, কিন্তু বাবা রাহুলের সাথে নেহার অশ্লীল ছবি দেখিয়ে তাকে চূর্ণ করে। চোখের জলে ভেঙে পড়ে স্নেহা, আর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়—রাহুলকে ভুলে যাবে।
রাহুল স্নেহার সামনে আই লাভ ইউ বলে, কিন্তু স্নেহা দৌড়ে চলে যায়। নেহার কথায় সন্দিহান স্নেহা রাহুলকে প্রশ্ন করে, আর রাহুল নেহার সাথে সম্পর্কের সত্য ফাঁস করে। হতবাক স্নেহা গিটার বাজিয়ে তার ভালোবাসা প্রকাশ করে, আর রাহুল অবাক হয়ে শুনে।
স্নেহা রাহুলের গাড়িতে করে মার্মিড হাউজে নিয়ে যাওয়া হয়, যেখানে চারপাশ ফুল ও ক্যান্ডেললাইটে সাজানো। রাহুল তাকে নিয়ে গোপনে প্রেমের জগতে ঢোকে, হাত ধরে বসায়, এবং তেডি হাসি দিয়ে তাকিয়ে থাকে। স্নেহা লজ্জায় মাথা নিচু করে, আর রাহুল বুঝিয়ে দেয়—সে বোকা নয়, প্রেমের মাঝে হারিয়ে গেছে।
স্নেহা রাহুলের রুমে উকি দিতে গিয়ে ধরা পড়ে, গীতালি ও মিলি তাকে জেলাস করে। রাহুল স্নেহাকে ডেকে অন্ধকারে আগুন জ্বালিয়ে গোলাপের পাপড়িতে 'I Love You Miss Dramaqueen' লিখে ভালোবাসা স্বীকার করে। স্নেহা লজ্জায় ব্লাশ করে, কিন্তু ড্রামা চালিয়ে বলে ভালোবাসে না।
প্রাপ্তি আয়ানের পকেট থেকে তানিয়ার চিঠি পায়, যেখানে অতীতের ভালোবাসার ইঙ্গিত মিলে। সন্দেহে ভেঙে পড়ে প্রাপ্তি, আর আয়ান বুঝতে পারে তার অতীত তাদের ভালোবাসায় ফাটল ধরাতে পারে। জামিল সাহেব আয়ানের কাছে ছেলের মামলা তোলার জন্য অনুনয় করে।
আয়ান, প্রাপ্তি, অরণী, সিয়াম ও আসিফ নীরাকে দেখতে যায়। আসিফের সাথে নীরার আলাদা কথা হয়, যেখানে সে তাকে চুপচাপ দেখে রাগ করে। আসিফ স্পষ্ট কথা বলে বিয়ের প্রস্তাব দেয়, আর নীরা তাতে রাজি হয়ে জানায় তার ভালোবাসা। সবাই আনন্দিত হয়, আর বিয়ের পরবর্তী পদক্ষেপের পরিকল্পনা শুরু হয়।
প্রাপ্তির মা নিলিমা বেগম ও বন্ধু অরণী হঠাৎ আগমন করে প্রাপ্তিকে আনন্দে ভাসায়। আয়ান পরিবারের সাথে মিশতে শুরু করে, কিন্তু প্রাপ্তির সাথে তার সম্পর্কের চাপ ক্রমশ ফুটে ওঠে। প্রাপ্তি আয়ানের কাছে তার অতীতের বোঝা নিয়ে কথা বলে, আর আয়ান তাকে জড়িয়ে নিশ্চয়তা দেয়।
আয়ানের মা তাকে বাবার অসুস্থতার খবর দেয়। প্রাপ্তি আয়ানকে বাড়ি যেতে অনুরোধ করে, কিন্তু আয়ান জানায় তারা তাকে ছাড়া প্রাপ্তিকে গ্রহণ করবে না। পরিবারের জন্য প্রাপ্তির কান্না আর আয়ানের ভালোবাসা প্রকাশ ঘিরে থাকে আবেগের প্রবল চাপ।
আয়ান অফিস থেকে ফিরে পাগলী নামে ডাকা তার বউ প্রাপ্তিকে বারান্দায় মেঘাচ্ছন্ন বিকালে কফি সহ দেখে। প্রাপ্তি তাকে কথা বলে না, ছোঁয়াও নিষেধ। বৃষ্টিতে ভিজতে থাকা আয়ানকে প্রাপ্তি রুমে আসতে বলে, আর সেই মৌন আবেদনে আয়ান ভাঙে।
প্রাপ্তির বিবাহ বার্ষিকীতে ফারহান ও পরিবার সারপ্রাইজ আয়োজন করে। প্রাপ্তি প্রথমে রাগ করলেও সবাইকে একসাথে দেখে মন ভরে যায়। ফারহান তাকে নতুন করে বউ সাজায় এবং মালয়েশিয়া যাওয়ার আগে আবার ভালোবাসার প্রতিশ্রুতি দেয়।
ফারহান অফিস যাওয়ার আগে প্রাপ্তিকে আদর করে। প্রাপ্তি আয়ানকে ফোন করে তাকে আর যোগাযোগ না করার কথা বলে। আয়ান শর্ত রাখে মাঝে মাঝে খবর নেওয়ার। ফারহান ফিরে এসে সব শুনে ভেঙে পড়ে, ভয় পায় প্রাপ্তি হারাবে।