ট্যাগ পুরানো স্মৃতি

সর্বনাশের দিনে | পর্ব ২ | চিঠির আবেগ আর ভাঙা প্রেমের কথা

সর্বনাশের দিনে পর্ব ২-এ নায়িকা কবিকে এক আবেগঘন চিঠি লেখে, যেখানে তার ভাঙা হৃদয়, প্রতারণার ব্যথা এবং তীব্র ভালোবাসার কথা ফুটে উঠেছে। কলেজ গেটের সেই কফি শপের স্মৃতি জাগে, যেখানে একদিন 'ভালোবাসি' শোনা গিয়েছিল।

ফাগুনের নবধারা | পর্ব ৭ | রুকুর বৃষ্টির স্মৃতি আর আবিদের বিয়ের প্রস্তাব

ফাগুনের নবধারা পর্ব ৭-এ রুকু বৃষ্টির মধ্যে সেই রাতের স্মৃতি ভাবে, আর আবিদের মা ইলমার সাথে তার বিয়ের প্রস্তাব দেয়। রুকু মুচকি হাসে, আবিদ রেগে যায়। নাভিদের স্মৃতিহীনতা আর সুমুর সাথে বন্ধুত্ব গভীর হয়, আর তাদের বিয়েও ঠিক হয়।

তিনি এবং ও ! | পর্ব ৬ | নিদ্রের রঙের গন্ধ আর অদ্রির আবেগের ভাঙন

তিনি এবং ও পর্ব ৬-এ নিদ্র রাতভর রঙ করে ঘুমায়, আর অদ্রি তার জন্য নাস্তা নিয়ে দরজায় কড়া নাড়ে। রঙের গন্ধে অস্বস্তিতে অদ্রি ত্বরিত পদক্ষেপে পালায়, কিন্তু নিদ্রের ফিসফিস প্রতিশোধ তাকে চমকে দেয়। নিদ্রের মুখে বিয়ের কথা শুনে অদ্রির পুরোনো স্মৃতি ফিরে আসে, চোখ ভিজে ওঠে।

তিনি এবং ও ! | পর্ব ২ | নিদ্রের নুড়ি আর রহস্যময়ী মেয়ে

তিনি এবং ও পর্ব ২-এ নিদ্র বাবার চাপে লুসির থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নতুন পরিবেশে আসে। রান্নাঘরে রহস্যময়ী মেয়ের সাথে তার দেখা হয়, যার লাল চোখ আর কঠিন আচরণ নিদ্রকে ভীত করে। নুড়ি রান্নার মাধ্যমে সম্পর্কের প্রথম সূত্রপাত হয়, কিন্তু অদ্ভুত পরিস্থিতি ঘিরে থাকে রহস্যের আবেশ।

মন ফড়িং | পর্ব ৪ | কফি হাউজের আড্ডা আর নাজমুল সাহেবের স্মৃতি

মন ফড়িং পর্ব ৪-এ নাজমুল সাহেব কলেজ জীবনের স্মৃতি ভাবেন, বিশেষ করে মায়া মেয়েটির কথা, যে পরকীয়ার কারণে আত্মহত্যা করেছে বলে শোনা যায়। অদ্রি বমি করতে শুরু করে, আর নিদ্র নাম্মির সাথে কাজের আলোচনা করে। পরিবারের চাপ, অতীতের ছায়া আর নতুন সুযোগের টানাপোড়েন ঘিরে তৈরি হয় আবেগঘন পরিস্থিতি।

বাকি রয়ে গেছে শব্দকার

ভালোবাসা চলে গেলেও অনেক কিছু বাকি থেকে যায়—অনুভূতি, আবদার, বৃষ্টিতে ভিজবার ইচ্ছা, বালকনির চেয়ারে অপেক্ষা আর নোটে লেখা নাম। এই গল্পে ফুটে উঠেছে ভালোবাসার অসমাপ্ত আকাঙ্ক্ষার করুণ সুর।

স্মৃতির পাতা | হৃদয়ের ছোটবেলার স্মৃতি আর ইতির অপূর্ণ ভালোবাসা

ইতি বারোজন পাত্র প্রত্যাখ্যান করেছে, কিন্তু কারণ জানে শুধু সে। ছোটবেলার হৃদয়ের স্মৃতি তার মনে এখনও জাগ্রত। ক্লাসের প্রথম দিন, পেয়ারা চুরি, ক্রিকেট ম্যাচ—সবই মনে পড়ে। হৃদয় কি তাকে মনে রেখেছে? নাকি শুধু ইতির মনেই জীবন্ত সেই স্মৃতি?

অ্যাংগ্রি হাজব্যান্ড ২ | পর্ব ২৫ | আনভীরের পিতৃত্ব আর জান্নাতের প্রতিশোধ

আরাভ আনহার ব্যাগ থেকে আনভীরের পাসপোর্ট দেখে শঙ্কিত হয়। ডাক্তারের কাছে টেস্টে জানে সে বাবা হওয়ার যোগ্য। জুনায়েদ চৌধুরী স্বীকার করে জান্নাতের টাকায় মিথ্যা রিপোর্ট দিয়েছিল। আরাভ জান্নাতের বাড়ি গিয়ে থাপ্পড় মারে, সব সত্য ফাঁস করে। আনভীর তার ছেলে জেনে আরাভ আবেগে ভেঙে পড়ে।

অবেলায় ভালোবাসা | পর্ব ৩ | চুহেসের গ্রামের স্মৃতি আর গাইথির পরিচয়

চুহেস কফিশপে অপ্রত্যাশিত দেখা পেয়ে মনে মনে বিচলিত হয়। রাতে ঘুম ভাঙে সেই মেয়েটির চোখের কথা ভেবে। পরদিন নিহারের সাথে গ্রামের বাজারে ঘুরতে গিয়ে টং দোকানে খায়, আর সেখানে রহিম চাচা তাকে চিনে ফেলে। দীর্ঘ হারানো পরিচয় ফিরে পায় সে। দিঘীর পাড়ে হাঁটতে গিয়ে নিজের পুরনো বাড়ি দেখে আবেগাপ্লুত হয়। হঠাৎ আবার দেখা গাইথির সাথে—যে তার নাম জানতে চায়।

অবেলায় ভালোবাসা | পর্ব ২ | শৈশবের দিঘী আর অপ্রত্যাশিত দেখা

চুহেস ভোরে ঘুম থেকে উঠে গ্রামের শৈশবের প্রিয় কদমতলী দিঘী খুঁজতে বের হয়, কিন্তু দিঘী বালি দিয়ে পুরিয়ে ফেলা হয়েছে। মন ভেঙে ফিরে কাজের মিটিংয়ে যোগ দেয়। ম্যানেজার আদনানের সাথে দেখা হয়, আর রাতে কফিশপে আকস্মিক ভাবে সেই মেয়েটির সাথে ধাক্কা লাগে যে সকালে তাকে দিঘীর জায়গা দেখিয়েছিল।

অবেলায় ভালোবাসা | পর্ব ১ | স্মৃতির ডাকে গ্রামে চুহেসের ফেরত

চুহেস সুন্দর নগরে ফিরে এসেছে শৈশবের স্মৃতি খুঁজতে। রেস্ট হাউজে একাকী ভাবনায় ডুবে আছে সে, পিএ নিহারের সান্নিধ্যে। গ্রামের স্বচ্ছ আকাশ, স্মৃতির বাবুই, আর অতীতের ছোঁয়ায় মন ভরে ওঠে। বিকেলে ঘাসে বসে গোধূলি দেখে সে, মনে মনে জাগে ভালোবাসার অনুভূতি।

কতো দিন ভুলে গেছি ঘুম

এক আবেগঘন কবিতাময় গল্প যেখানে প্রিয়তমার অনুপস্থিতিতে ঘুমহীন রাত কাটে। চোখ বন্ধ করলেও অন্ধকার নামে না, শুধু ভেসে ওঠে চেনা হাসি, চোখ আর স্বর। স্বপ্ন আসে না, কিন্তু প্রিয়া চুপিচুপি হাসে চোখের পুকুরে।