রোমান্টিক অত্যাচার ২ | পর্ব ১৯ | মাহির চেয়ারম্যান হিসেবে আগমন ও আশফির শাসন
রোমান্টিক অত্যাচার ২-এর ১৯তম পর্বে আশফি ও মাহির সম্পর্কের টানাপোড়েন চরমে পৌঁছায়। মাহি যখন কোম্পানির চেয়ারম্যান হয়ে ফিরে আসে, তখন শুরু হয় এক নতুন লড়াই।
রোমান্টিক অত্যাচার ২-এর ১৯তম পর্বে আশফি ও মাহির সম্পর্কের টানাপোড়েন চরমে পৌঁছায়। মাহি যখন কোম্পানির চেয়ারম্যান হয়ে ফিরে আসে, তখন শুরু হয় এক নতুন লড়াই।
আশনূহাকে সামনে এনে মাহিকে নিজের চেম্বারে বন্দি করে আশফি। রাগ আর অভিমানের মাঝে ফুটে ওঠে পুরনো ভালোবাসা ও রোমান্টিক মুহূর্ত। পড়ুন রোমান্টিক অত্যাচার ২ এর ২০তম পর্ব।
আশফি জোর করে মাহিকে বাসায় ফিরিয়ে আনে এবং শুরু হয় তাদের মান-অভিমান ও রোমান্টিক মুহূর্ত। সম্পর্কের টানাপোড়েনের মাঝে কি মিলবে তাদের সুখ? পড়ুন বিস্তারিত।
রোমান্টিক অত্যাচার ২-এর ২২তম পর্বে আশফি ও মাহির মিষ্টি মান-অভিমান এবং মাঝরাতের রোমান্টিক মুহূর্তের মাঝে হঠাৎ আলিশার সুইসাইড অ্যাটেম্পটের খবর আসে। বিস্তারিত পড়ুন।
আলিশার আত্মহত্যার চেষ্টার খবর পেয়ে চাচ্চু ইংল্যান্ড থেকে ছুটে আসে। আশফি আলিশাকে বাঁচানোর জন্য মাহির সাথে কথা বলে। এদিকে চান্দুর ঘুম ভেঙ্গে যায় এবং মাহি আশফিকে শান্ত করার চেষ্টা করে।
আশফির আকস্মিক বাংলাদেশ যাত্রার ঘোষণা এবং অফিসের ভেতরেই মাহি ও আশফির মিষ্টি রোমান্টিক মুহূর্তগুলো নিয়ে সাজানো রোমান্টিক অত্যাচার ২ এর ২৪তম পর্ব।
আশফি ও মাহির বাংলাদেশ প্রত্যাবর্তন এবং পুরনো অফিসের স্মৃতিচারণ। বাসর রাতের সেই তিক্ত-মিষ্টি মুহূর্তগুলো মনে করে তারা নতুন করে ভালোবাসায় জড়ায়।
মাহি দুপুরকে বোঝানোর চেষ্টা করে, কিন্তু দুপুরের মন পরিবর্তন হয় না। মাহি ও আশফির মধ্যে ঝগড়া হয় এবং মাহি জাপান চলে যায়।
আশফি আর মাহির ভালোবাসার গল্পের পরিসমাপ্তি। মাহি আর আশফি একে অপরকে ভুলে যেতে না দেওয়ার প্রতিজ্ঞা করে।
প্রথম বিবাহবার্ষিকীতে নতুন বউ সেজে পুলকের জন্য সাজে শ্রুতি, কিন্তু রাত ১টা ২০ মিনিটে ফেরা পুলকের উপর রাগে ফুঁসছে সে। পুলক কী করবে জানতে চায় না, শ্রুতির সারপ্রাইজ সাজ আর পুলকের অবহেলা নিয়ে তৈরি হয় টানাপোড়েন।
পুলকের বেলকোনি থেকে ভেসে আসা গানে মুগ্ধ হয়ে শ্রুতি, কিন্তু রাতের ঝগড়ায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়। গালাগালির পর পুলক শ্রুতির হাতপা বাঁধে এবং ছাদে নিয়ে যায়, ভয় দেখায়। শ্রুতি ভয়ে কাঁপছে, আর পুলকের রূপ বদলাচ্ছে প্রেমিক থেকে শাসকে।
পুলক শ্রুতিকে ছাদে নিয়ে গিয়ে ভয় দেখায়, কিন্তু সবই ছিল রোমান্টিক ড্রামা। রাতের অভিনয়ের পর সে আবিষ্কার করে শ্রুতির কাছে ফিরে পেয়েছে তার হারানো আনন্দ। ভালোবাসার গভীরতা ও অতীতের ছায়া নিয়ে এই পর্বে প্রকাশ পায় তাদের অনন্য সম্পর্কের মর্মস্পর্শী দিক।