লেখক সুলতানা তমা

নীরবে ভালোবাসি | পর্ব ২৩ | ভাবির ক্ষমা আর মেঘের রহস্যময় মেসেজ

শায়লা কণার সামনে কেঁদে ক্ষমা চায়, আর মেঘের মাধ্যমে জানা যায় সামাদ ও ইকবালের পিছনে আছে বড় ষড়যন্ত্র। থানায় গিয়ে কণা জানতে পারে ইকবালের জেল হবে ৩-৪ বছর। বাজারে এক অচেনা লোক তার হাত ধরে ফেলে। ফিরে মেঘের ফোনে এক মেসেজ আসে—সব ঠিক মনে হলেও কিছু একটা ভুল হচ্ছে।

নীরবে ভালোবাসি | পর্ব ২৪ | মেঘের সন্দেহ আর অচেনা লোকের চিঠি

মেঘ রহস্যময় মেসেজের পর অন্যমনস্ক হয়ে পড়ে। কণা তার ফোনে কিছু খুঁজতে চায়, কিন্তু মেঘ সব লুকায়। রেস্টুরেন্টে আবার সেই অচেনা লোক হাজির হয়, কণাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করে এবং একটি চিঠি দেয়। কণা বুঝতে পারে তাকে জালে ফেলা হচ্ছে। মেঘ ছবি দেখে তাকে সন্দেহ করে, কিন্তু তোহার সারপ্রাইজ মালা দিয়ে উভয়কে একসাথে ঘুরতে বাধ্য করে।

নীরবে ভালোবাসি | পর্ব ২৫ | পার্কের সুখ আর রাস্তার বিপদ

পার্কে তোহাকে নিয়ে ঘুরতে এসে কণা ও মেঘের মধ্যে সুখের মুহূর্ত ফিরে আসে, কিন্তু হঠাৎ রাস্তায় এক রহস্যময় লোক আবির্ভূত হয়ে কণাকে আটকায়। তোহা মাঝ রাস্তায় পড়ে যায় এবং গাড়িতে ধাক্কা খেয়ে আহত হয়। হাসপাতালে মেঘ কণাকে দায়ী করে সম্পর্ক ছিন্ন করে দেয়, চিরদিনের জন্য তাকে দেখা নিষেধ করে।

নীরবে ভালোবাসি | পর্ব ২৬ | মেঘের অবিশ্বাস আর কণার বিদ্রোহ

কণা মেঘের অবিশ্বাস ও অপমান সহ্য করে হসপিটালে তোহাকে দেখতে যায়, কিন্তু মেঘ তাকে খারাপ বলে। রাগে কণা থাপ্পড় মারে ও সম্পর্ক ছেদ ঘোষণা করে। মনে মনে জানে ভালোবাসে, কিন্তু মেঘের অনুশোচনা না হওয়া পর্যন্ত ফিরবে না। এক নিঃশব্দ প্রেমের টানাপোড়েন।

নীরবে ভালোবাসি | পর্ব ২৭ | মেঘের আগমন আর কণার ভয়

দু মাস পর কণা নিজেকে গুছিয়ে নিয়েছে, কিন্তু মেঘের পরিবার তাকে ফিরিয়ে নিতে আসে। মেঘ নিজের ভুল বুঝে কাঁদে, কিন্তু কণা ভয় পায় আবার আঘাত পাবে। রাতে মেঘ গোপনে আসে, কণার মুখ চেপে ধরে বারান্দায় জড়িয়ে ধরে। ভালোবাসা আর ভয়ের মধ্যে কণার মন দুলছে।

নীরবে ভালোবাসি | পর্ব ২৮ | মেঘের এক্সিডেন্ট আর কণার শেষ সিদ্ধান্ত

মেঘ কণাকে ফিরে পেতে আসে, কিন্তু অবিশ্বাসের বশে থাপ্পড় মারে। কণা কানাডা ছাড়া আর কোনো পথ না পেয়ে চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নেয়। হঠাৎ মেঘের দুর্ঘটনা হয়। হাসপাতালে যাওয়ার জন্য কণা প্রাণের জন্য লড়াই করে। ভালোবাসা আর অবিশ্বাসের চূড়ান্ত মুখোমুখি এই পর্বে।

নীরবে ভালোবাসি | পর্ব ২৯ | গর্ভবতী কণার বিদায় আর মেঘের অজানা সত্য

কণা মেঘের অবিশ্বাস ও অপমান সহ্য করে কানাডা যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল, কিন্তু হঠাৎ জানতে পারে সে গর্ভবতী। ডক্টর সতর্ক করে দেয় বাচ্চার জন্য নিজের যত্ন নেওয়ার জন্য। চাচ্চু তাকে নতুন বাসায় নিয়ে যায়, কিন্তু মেঘের সাথে যোগাযোগ নিষেধ। কণা মেঘের ছবি লুকিয়ে রাখে, মনে মনে ভাবে—অবিশ্বাসই তাদের বিচ্ছেদের কারণ।

নীরবে ভালোবাসি | পর্ব ৩০ | অন্তিম পর্বে মেঘের কান্না আর কণার ফিরে আসা

কণা ডেলিভারির আগে মেঘকে নিয়ে ভাবছে, ভয় পাচ্ছে আর একটি চিঠি লিখছে। সিজারের পর জ্ঞান ফিরতেই দেখে মেঘ কাঁদছে তার পাশে। চিঠি পড়ে মেঘ ও পরিবার ভেঙে পড়ে। দোহা নামে মেয়ে হয়। মেঘের অপেক্ষা, কণার নীরব ভালোবাসা আর পরিবারের মিলনে শেষ হয় এই অত্যন্ত আবেগঘন পর্ব।