বাকি রয়ে গেছে শব্দকার
ভালোবাসা চলে গেলেও অনেক কিছু বাকি থেকে যায়—অনুভূতি, আবদার, বৃষ্টিতে ভিজবার ইচ্ছা, বালকনির চেয়ারে অপেক্ষা আর নোটে লেখা নাম। এই গল্পে ফুটে উঠেছে ভালোবাসার অসমাপ্ত আকাঙ্ক্ষার করুণ সুর।
ভালোবাসা চলে গেলেও অনেক কিছু বাকি থেকে যায়—অনুভূতি, আবদার, বৃষ্টিতে ভিজবার ইচ্ছা, বালকনির চেয়ারে অপেক্ষা আর নোটে লেখা নাম। এই গল্পে ফুটে উঠেছে ভালোবাসার অসমাপ্ত আকাঙ্ক্ষার করুণ সুর।
ইতি বারোজন পাত্র প্রত্যাখ্যান করেছে, কিন্তু কারণ জানে শুধু সে। ছোটবেলার হৃদয়ের স্মৃতি তার মনে এখনও জাগ্রত। ক্লাসের প্রথম দিন, পেয়ারা চুরি, ক্রিকেট ম্যাচ—সবই মনে পড়ে। হৃদয় কি তাকে মনে রেখেছে? নাকি শুধু ইতির মনেই জীবন্ত সেই স্মৃতি?
অবেলায় ভালোবাসা অন্তিম পর্বে চুহেসের কিডনি বিকল হয়ে মৃত্যু হয়। হাসপাতালে সবাইকে নিয়ে স্বীকারোক্তি দেয়, গাইথিকে ভালোবাসার কথা বলে। গাইথি ভেঙে পড়ে। পরে সাইমুমের সাথে বিয়ে হয় তার, আর বাসর রাতে বৃষ্টিতে সাইমুম গান ধরে—ভালোবাসার নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়।
অবেলায় ভালোবাসা পর্ব ২২-এ গাইথি সাইমুমের কলে ভয় ও উদ্বেগে ভোগে, আর চুহেসের সাথে বিয়ে নিয়ে তাকে হুমকি দেওয়া হয়। চুহেস ফ্রান্স থেকে ফিরে আসে, কিন্তু গাড়িতে আসন্ন বমি আর হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে পড়ে ওয়াশরুমে, যা গাইথিকে আতঙ্কিত করে তোলে।
অবেলায় ভালোবাসা পর্ব ২১-এ চুহেস গাইথিকে রাবেয়া খালার অসুস্থতার কথা জানায় এবং ফ্রান্সে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। গাইথি মন খারাপে ভাসে, কিন্তু তাকে সামলে নেয়। চুহেস বিদায়ের সময় গাইথিকে ভালোবাসার স্বীকারোক্তি দেয়, আর গাইথি চোখের পানি লুকায় ঘোমটা টেনে।
অবেলায় ভালোবাসা পর্ব ২০-এ চুহেস ও গাইথির এংগেজমেন্ট অনুষ্ঠানে কাপল ডান্স, আংটি পরানো এবং আবেগঘন মুহূর্ত উপস্থাপিত হয়। অনুষ্ঠানের পর চুহেস জানায় রাবেয়া খালার অসুস্থতার কারণে ফ্রান্সে তাড়াতাড়ি যেতে হবে, কিন্তু গাইথিকে এখনও সে কথা বলেনি।
অবেলায় ভালোবাসা পর্ব ১৯-এ চুহেস গাইথিকে নিরিবিলি প্রাকৃতিক জায়গায় নিয়ে যায় এবং তার জন্য লেখা কবিতা শোনায়, যেখানে তার ভালোবাসা ফুটে ওঠে। গাইথি মজে যায়, আর পরে শপিংয়ের নামে চার ঘন্টা ধরে চুহেসকে ঘোরায়। এদিকে নিধিপা এসে পড়ে আনন্দের মাঝে, আর এংগেজমেন্টের পরিকল্পনায় নাচের আয়োজন নিয়ে তৈরি হয় উত্তেজনা।
অবেলায় ভালোবাসা পর্ব ১৮-এ গাইথি সাইমুমকে স্পষ্ট জানায় তাকে মেনে নিতে পারেনি। সাইমুম পায়ের কাছে বসে অনুনয় করলেও গাইথি দৃঢ় থাকে। চুহেস গাড়িতে অপেক্ষা করে, আধা ঘন্টার প্রতিশ্রুতি ভাঙায় গাইথি তাকে রাগান্বিত হয়।
অবেলায় ভালোবাসা পর্ব ১৭-এ চুহেস গাইথিকে 'নেইজিনের নীড়' বাড়ির স্পেশাল রুম দেখায়, যা আসলে তাদের বাসরঘর। গাইথি লজ্জায় লাল হয়ে যায়। এদিকে সাইমুম গাইথির সাথে দেখা করতে চায়, আর চুহেস প্রতিশ্রুতি দেয় সে তাকে সাথে নিয়ে যাবে।
একটি পানকৌড়ির গল্প পর্ব ৯-এ ড. আফতাব হোসেন রশীদ আলমের প্রথম স্ত্রী রিনির সাথে গোপনে দেখা করেন এবং জানতে পারেন ফারিয়ার আসল নাম রাদিয়া। রিনি জুয়াড়ি স্বামী ও সংসারের অত্যাচারের কথা উদ্ঘাটন করেন। ফারিয়া আবারও একই ভয়াবহ স্বপ্ন দেখে।
ঘুমন্ত রাজপরী পর্ব ৭-এ ম্যানেজারকাকু নিশানাথবাবু অপালার কাছে গম্ভীর মুখে আসেন, ফিরোজের চিঠি নিয়ে অস্বস্তি তৈরি করেন এবং তাকে আর না ডাকার ইঙ্গিত দেন। অপালা একাকিত্ব ও পরিবারের হস্তক্ষেপে বিরক্ত হয়, আর ফখরুদ্দিন সাহেব লন্ডনে অসুস্থ অবস্থায় বৃষ্টির স্বপ্ন দেখেন।
ঘুমন্ত রাজপরী পর্ব ৬-এ ফিরোজ হাজি সাহেবের কাছে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসে এবং মেয়ে লতিফাকে দেখে মুগ্ধ হয়। পরে অপালার বাড়িতে গিয়ে চা খাওয়ার আমন্ত্রণ পায়, কিন্তু তার মিথ্যা বিয়ের কথা উল্টে যায় অপালার তীক্ষ্ণ মন্তব্যে। দুজনের মধ্যে আবেগের টানাপোড়েন আরও গভীর হয়।