মিষ্টি প্রেমের স্বীকারোক্তি
স্কুল জীবনের এক মিষ্টি প্রেমের গল্প, যেখানে এক ছেলে তার প্রিয় বন্ধুকে আয়নার সামনে দাঁড় করিয়ে খুব চমৎকারভাবে নিজের ভালোবাসার কথা স্বীকার করে নেয়।
স্কুল জীবনের এক মিষ্টি প্রেমের গল্প, যেখানে এক ছেলে তার প্রিয় বন্ধুকে আয়নার সামনে দাঁড় করিয়ে খুব চমৎকারভাবে নিজের ভালোবাসার কথা স্বীকার করে নেয়।
রাহুল ও তার প্রাক্তন বন্ধুর দীর্ঘ বিরহ এবং ভুল বোঝাবুঝির পর পুনর্মিলন, কিন্তু মাঝপথে বাধা হয়ে দাঁড়ায় এক মরণব্যাধি। পড়ুন একটি করুণ ভালোবাসার গল্প।
আবির ও নিরার কোর্ট ম্যারেজ এবং পরিবারের মিলন। তবে ভালোবাসার বদলে নিরার মনে জন্ম নেয় প্রতিশোধের তীব্র ইচ্ছা। এই সম্পর্কের পরিণতি কী হবে?
নিধী আয়ানকে ভালোবাসে, কিন্তু সাহস পায় না বলতে। আয়ান তুহিকে ভালোবাসে, যে তার ভাবির ছোট বোন। বিয়ের পর তুহি চলে যায়, আয়ান ভেঙে পড়ে। পাঁচ বছর পর তুহির মৃত্যুর সত্য ফুটে ওঠে—সব ছিল তার শেষ ইচ্ছার জন্য।
ঘুমন্ত রাজপরী পর্ব ১-এ ফিরোজ বসার ঘর সাজাতে এসে অপেক্ষা করে এক ঘন্টা, কিন্তু কেউ তাকে খেয়াল করে না। অপালা নামের উদাসীন মেয়েটি তাকে চট করে বসতে বলে। ম্যানেজারের অপেক্ষায় সময় কাটে, আর ফিরোজের মনে হয় এই বাড়ি যেন ঘুমন্ত রাজপুরী। শেষে বাবার ফোনে জানা যায়, কাজটি মতিনকে দেওয়া হয়েছিল—ফিরোজ নয়।
ঘুমন্ত রাজপরী পর্ব ২-এ ফিরোজের চাকরি নিয়ে সংকট তৈরি হয় অপালার কারণে। অপালা তাকে ঘর গুছাতে বাধ্য করে, আর করিম সাহেব তাকে চাকরি থেকে বার করার ইশারা দেন। ফিরোজ ডিরেক্টরের বাসায় গিয়ে জানেন তিনি চলে গেছেন, বাড়িভাড়া বাকি ফেলে। হেলেনার স্মৃতিতে ফিরে আসে বিয়ের রাতের অদ্ভুত কথাবার্তা।
ঘুমন্ত রাজপরী পর্ব ৩-এ ফিরোজের সকাল শুরু হয় চড়ুই পাখির সাথে চায়ের কাপ ভাগ করে নেওয়া দিয়ে। বাড়িওয়ালার সাথে বিয়ের আলোচনা, ভিক্ষুক পরিবারের অদ্ভুত শান্তি এবং বোনের বাসায় উপেক্ষার মুখে বিয়ের খবর দেওয়া নিয়ে ঘটে যায় নানা ঘটনা। ফিরোজের একাকীত্ব আর আশার মিশেলে ভরা দিন কাটে।
ঘুমন্ত রাজপরী পর্ব ৪-এ ফিরোজ করিম সাহেবের কাছ থেকে চাকরির সুযোগ পায়, আর অপালার ডায়েরিতে লেখা গল্প ও জীবনকথা উন্মোচিত হয়। অপালা ফিরোজকে নিচে ডাকে, আচরণে দ্বিধা, আর ফিরোজ বিয়ের ছবি দেখিয়ে নিজেকে সামলাতে চায়। দুজনের মধ্যে টানাপোড়েন তীব্র হয়।
ঘুমন্ত রাজপরী পর্ব ৫-এ ফিরোজ অপালার ঘর সাজিয়ে মন খুলে কাজ করে, আর অপালা চমকে উঠে তার কাজের প্রশংসা করে। এদিকে ফিরোজ সিনেমা জগতে পা রাখে, মন্তাজ মিয়ার সাথে কাজ করতে শুরু করে। তার জীবনে আসে নতুন সুযোগ, নতুন স্বপ্ন।
ঘুমন্ত রাজপরী পর্ব ৬-এ ফিরোজ হাজি সাহেবের কাছে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে আসে এবং মেয়ে লতিফাকে দেখে মুগ্ধ হয়। পরে অপালার বাড়িতে গিয়ে চা খাওয়ার আমন্ত্রণ পায়, কিন্তু তার মিথ্যা বিয়ের কথা উল্টে যায় অপালার তীক্ষ্ণ মন্তব্যে। দুজনের মধ্যে আবেগের টানাপোড়েন আরও গভীর হয়।
ঘুমন্ত রাজপরী পর্ব ৭-এ ম্যানেজারকাকু নিশানাথবাবু অপালার কাছে গম্ভীর মুখে আসেন, ফিরোজের চিঠি নিয়ে অস্বস্তি তৈরি করেন এবং তাকে আর না ডাকার ইঙ্গিত দেন। অপালা একাকিত্ব ও পরিবারের হস্তক্ষেপে বিরক্ত হয়, আর ফখরুদ্দিন সাহেব লন্ডনে অসুস্থ অবস্থায় বৃষ্টির স্বপ্ন দেখেন।