অ্যাংগ্রি হাজব্যান্ড ২ | পর্ব ২ | মরিচের প্রতিশোধ আর পা টিপার রাগ

আনহার লিপস্টিকের প্রতিশোধে আরাভ রেগে আগুন। মরিচ খাওয়ার হুমকি, কাপড় কাঁচার শাস্তি, আর শরবতে মরিচের গুঁড়ো মেশানো। হাত কাটার পর মায়ের বকা, দরজা বন্ধ করে পালানো আর শপিংয়ে পকেট ফাঁকা করা। পা টিপতে গিয়ে আরাভের রাগ, আনহার চোখে পানি। প্রেম, রাগ আর প্রতিশোধের চাপে চলছে সম্পর্ক।

অ্যাংগ্রি হাজব্যান্ড ২ | পর্ব ১ | বান্দর পোলার বিয়ে আর প্রথম রাতের রাগ

আনহা আর আরাভের বিয়ে হয়েছে চিটিংয়ের মাধ্যমে। বাসর রাতেই ঝগড়া, থাপ্পড় আর পা টিপতে হয়। পরদিন আনহা ঘুমন্ত আরাভের মুখে লিপস্টিক দিয়ে ভুতের মতো বানায়। প্রেম, রাগ আর প্রতিশোধের শুরু এই পর্বে।

সুখের আশা | পর্ব ১ | জিমির বাল্য বিবাহ আর ভাঙা স্বপ্নের প্রতীক্ষা

জিমি ক্লাস নাইনের ছাত্রী, পড়াশোনার স্বপ্ন নিয়ে বড় হচ্ছিল, কিন্তু মামার চাপে বাল্য বিবাহ হয়ে যায় তার। বর তাকে পড়াশোনা করতে দেয় না, জন্মদিনেও উদযাপন নেই। এক বছর পার হয়ে গেলেও জিমি হাল না ছাড়িয়ে সুখের আশায় অপেক্ষা করে। ভাঙা স্বপ্ন, অবহেলা আর আশার গল্প এই পর্বের কেন্দ্রে।

অবেলায় ভালোবাসা | পর্ব ৪ | চুহেসের রহস্যময় আহ্বান আর গাইথির মনের দ্বন্দ্ব

চুহেস গাইথিকে দিঘীর উত্তর পাশের খালি জায়গায় সকালে দেখা করতে আহ্বান জানায়, গাইথি অবাক হয় তার রোবটের মতো আচরণে। বাড়িতে ফিরে গাইথি মনে মনে ভাবে, আর ঠিক তখন আমেরিকা থেকে শ্রুতি আপুর কল আসে। ভালোবাসা, অতীত আর রহস্যের মিশেলে ঘুরেছে এই পর্ব।

অবেলায় ভালোবাসা | পর্ব ৩ | চুহেসের গ্রামের স্মৃতি আর গাইথির পরিচয়

চুহেস কফিশপে অপ্রত্যাশিত দেখা পেয়ে মনে মনে বিচলিত হয়। রাতে ঘুম ভাঙে সেই মেয়েটির চোখের কথা ভেবে। পরদিন নিহারের সাথে গ্রামের বাজারে ঘুরতে গিয়ে টং দোকানে খায়, আর সেখানে রহিম চাচা তাকে চিনে ফেলে। দীর্ঘ হারানো পরিচয় ফিরে পায় সে। দিঘীর পাড়ে হাঁটতে গিয়ে নিজের পুরনো বাড়ি দেখে আবেগাপ্লুত হয়। হঠাৎ আবার দেখা গাইথির সাথে—যে তার নাম জানতে চায়।

অবেলায় ভালোবাসা | পর্ব ২ | শৈশবের দিঘী আর অপ্রত্যাশিত দেখা

চুহেস ভোরে ঘুম থেকে উঠে গ্রামের শৈশবের প্রিয় কদমতলী দিঘী খুঁজতে বের হয়, কিন্তু দিঘী বালি দিয়ে পুরিয়ে ফেলা হয়েছে। মন ভেঙে ফিরে কাজের মিটিংয়ে যোগ দেয়। ম্যানেজার আদনানের সাথে দেখা হয়, আর রাতে কফিশপে আকস্মিক ভাবে সেই মেয়েটির সাথে ধাক্কা লাগে যে সকালে তাকে দিঘীর জায়গা দেখিয়েছিল।

অবেলায় ভালোবাসা | পর্ব ১ | স্মৃতির ডাকে গ্রামে চুহেসের ফেরত

চুহেস সুন্দর নগরে ফিরে এসেছে শৈশবের স্মৃতি খুঁজতে। রেস্ট হাউজে একাকী ভাবনায় ডুবে আছে সে, পিএ নিহারের সান্নিধ্যে। গ্রামের স্বচ্ছ আকাশ, স্মৃতির বাবুই, আর অতীতের ছোঁয়ায় মন ভরে ওঠে। বিকেলে ঘাসে বসে গোধূলি দেখে সে, মনে মনে জাগে ভালোবাসার অনুভূতি।

নীরবে ভালোবাসি | পর্ব ৩০ | অন্তিম পর্বে মেঘের কান্না আর কণার ফিরে আসা

কণা ডেলিভারির আগে মেঘকে নিয়ে ভাবছে, ভয় পাচ্ছে আর একটি চিঠি লিখছে। সিজারের পর জ্ঞান ফিরতেই দেখে মেঘ কাঁদছে তার পাশে। চিঠি পড়ে মেঘ ও পরিবার ভেঙে পড়ে। দোহা নামে মেয়ে হয়। মেঘের অপেক্ষা, কণার নীরব ভালোবাসা আর পরিবারের মিলনে শেষ হয় এই অত্যন্ত আবেগঘন পর্ব।

নীরবে ভালোবাসি | পর্ব ২৯ | গর্ভবতী কণার বিদায় আর মেঘের অজানা সত্য

কণা মেঘের অবিশ্বাস ও অপমান সহ্য করে কানাডা যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিল, কিন্তু হঠাৎ জানতে পারে সে গর্ভবতী। ডক্টর সতর্ক করে দেয় বাচ্চার জন্য নিজের যত্ন নেওয়ার জন্য। চাচ্চু তাকে নতুন বাসায় নিয়ে যায়, কিন্তু মেঘের সাথে যোগাযোগ নিষেধ। কণা মেঘের ছবি লুকিয়ে রাখে, মনে মনে ভাবে—অবিশ্বাসই তাদের বিচ্ছেদের কারণ।

নীরবে ভালোবাসি | পর্ব ২৮ | মেঘের এক্সিডেন্ট আর কণার শেষ সিদ্ধান্ত

মেঘ কণাকে ফিরে পেতে আসে, কিন্তু অবিশ্বাসের বশে থাপ্পড় মারে। কণা কানাডা ছাড়া আর কোনো পথ না পেয়ে চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নেয়। হঠাৎ মেঘের দুর্ঘটনা হয়। হাসপাতালে যাওয়ার জন্য কণা প্রাণের জন্য লড়াই করে। ভালোবাসা আর অবিশ্বাসের চূড়ান্ত মুখোমুখি এই পর্বে।

নীরবে ভালোবাসি | পর্ব ২৭ | মেঘের আগমন আর কণার ভয়

দু মাস পর কণা নিজেকে গুছিয়ে নিয়েছে, কিন্তু মেঘের পরিবার তাকে ফিরিয়ে নিতে আসে। মেঘ নিজের ভুল বুঝে কাঁদে, কিন্তু কণা ভয় পায় আবার আঘাত পাবে। রাতে মেঘ গোপনে আসে, কণার মুখ চেপে ধরে বারান্দায় জড়িয়ে ধরে। ভালোবাসা আর ভয়ের মধ্যে কণার মন দুলছে।

নীরবে ভালোবাসি | পর্ব ২৬ | মেঘের অবিশ্বাস আর কণার বিদ্রোহ

কণা মেঘের অবিশ্বাস ও অপমান সহ্য করে হসপিটালে তোহাকে দেখতে যায়, কিন্তু মেঘ তাকে খারাপ বলে। রাগে কণা থাপ্পড় মারে ও সম্পর্ক ছেদ ঘোষণা করে। মনে মনে জানে ভালোবাসে, কিন্তু মেঘের অনুশোচনা না হওয়া পর্যন্ত ফিরবে না। এক নিঃশব্দ প্রেমের টানাপোড়েন।