প্রত্যাখান | পর্ব ১২ | শুভ্রের বিয়ে আর মায়ের চাঞ্চল্যকর সিদ্ধান্ত

প্রত্যাখান পর্ব ১২-এ শুভ্র জানতে পারে তার বিয়ে লাবণ্যের সাথে হচ্ছে। মায়ের মুখে এই সিদ্ধান্ত শুনে স্তব্ধ হয়ে যায় সে। পরিবারের চাপে বিয়ে মঞ্চে উঠলেও মনে মনে উত্তেজনা ও দ্বন্দ্ব কাজ করে। গাড়িতে বসে নীরব লাবণ্যর পাশে ঘামতে থাকে শুভ্র, অনিচ্ছাকৃত বিয়ের ভার কাঁধে নিয়ে।

তিনি এবং ও ! | পর্ব ১৩ | নিদ্রের নিখোঁজ হওয়া আর অদ্রির চোখের পানি

তিনি এবং ও পর্ব ১৩-এ নিদ্র সকালে মায়ের ছবি দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে বাড়ি থেকে হারিয়ে যায়। অদ্রি ও রশিদ সাহেব সারাদিন তাকে খুঁজে বেড়ায়। নাজমুল সাহেব শান্ত থাকার পরামর্শ দেন। অদ্রি নিদ্রের অনুপস্থিতিতে ভেঙে পড়ে, ওয়াশরুমে চাপা কান্না করে। নিদ্রের স্মৃতি আর সবুজের মাঝে হারানোর ইঙ্গিত রহস্য ঘনিয়ে তোলে।

তিনি এবং ও ! | পর্ব ১২ | নিদ্রের মা আর হ্যালুসিনেশনের মুহূর্ত

তিনি এবং ও পর্ব ১২-এ নিদ্র মায়ের কাছে নিয়ে যাওয়া হয় এবং জানতে পারে মায়ের ক্যান্সার হয়েছে। মা মারা যাওয়ার পর নিদ্র মায়ের ছবি দেখে ভাবতে থাকে। রাতে সে মায়ের হ্যালুসিনেশন দেখে, যেখানে মা বিছানায় শুয়ে বলে—”নিড্র, ফিল কোল্ড”। নিদ্র তাকে কম্বল দিয়ে ঢাকে, মনে করে মা আবার ফিরে এসেছে।

তিনি এবং ও ! | পর্ব ১১ | নিদ্রের জন্মদাত্রীর সত্য আর বাবার চোখের পানি

তিনি এবং ও পর্ব ১১-এ নিদ্র তার জন্মদাত্রী মহিলার সাথে দেখা করে এবং ছবি দেখে বিচলিত হয়। বাবার কাছে সত্য জানতে চাইলে জানতে পারে মা তাকে ছেড়ে পুরোনো প্রেমিকের কাছে চলে গিয়েছিলেন। বাবার কান্না দেখে নিদ্র ভেঙে পড়ে, আর মায়ের প্রতি তার ধারণা পালটায়।

তিনি এবং ও ! | পর্ব ১০ | নিদ্রের মায়ের রহস্য আর অদ্রির চুলের রঙ

তিনি এবং ও পর্ব ১০-এ নিদ্র বাগানে বসে থাকাকালীন অদ্রি তার চুলের রঙ জানতে চায়। নিদ্র জানায় সে ডাবল সংকর বাঙালী—বাবা বাঙালী, মা ইংরেজ। মায়ের মৃত্যুর কথা শুনে বড় হয়েছে সে, কিন্তু একদিন এক বয়স্ক মহিলা তাকে বলে—"তোমার মা জীবিত, তোমাকে দেখতে চায়"। রহস্য ঘনীভূত হয়, আর অদ্রি নিজের মায়ের কথা মনে করে।

তিনি এবং ও ! | পর্ব ৯ | নিদ্রের মায়ের স্বপ্ন আর অদ্রির সাদা পোশাকের রহস্য

তিনি এবং ও পর্ব ৯-এ নিদ্র ঘুমে তার মায়ের কণ্ঠস্বর শুনে জেগে উঠে। রশিদ সাহেব তাকে অদ্রির সাথে ঘুরতে বললে সে মজার উত্তর দেয়। খাবার টেবিলে অদ্রির সাদা পোশাক নিয়ে নিদ্র প্রথমবার তার নাম ধরে মন্তব্য করে, যা অদ্রিকে আশ্চর্য করে দেয়। দুজনের মধ্যে অদৃশ্য সম্পর্কের শুরু ঘটে।

তিনি এবং ও ! | পর্ব ৮ | নিদ্রের রঙিন ঘর আর অদ্রির অতীতের সত্য

তিনি এবং ও পর্ব ৮-এ রশিদ সাহেব নিদ্রের রঙিন ঘর দেখে অবাক হন। নিদ্র রংমিস্ত্রীর কাজ শেখার কথা বলে। রশিদ সাহেব অদ্রির অতীত তুলে ধরেন—বিয়ে হওয়া স্বামীর মৃত্যু ও একাকী জীবন। নিদ্র গভীর চিন্তায় পড়ে, আর অদ্রির কান্নায় লিলি আবেগপ্রবণ হয়।

নিষাদ | সত্য ঘটনা অবলম্বনে ভালোবাসার গল্প

নিষাদ নামের এক সুন্দর ছেলে এক অসুন্দর মনে করা মেয়েকে প্রচণ্ড ভালোবাসে, যা তার আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে দেয়। ক্যাম্পাসে অপমানিত হলেও নিষাদ তার প্রেমে অটল থাকে। সমাজের চাপে সম্পর্ক ছাড়ার চিন্তা হলেও তারা একে অপরকে পায়, আর বিয়ের পর প্রাক্তন প্রেমিকার মুখে সত্যি ফুটে ওঠে।

প্রত্যাখান | পর্ব ১১ | লুঙ্গি থেকে পাঞ্জাবি আর লাবণ্যর উপহার

প্রত্যাখান পর্ব ১১-এ লুঙ্গিতে ঘুম ভাঙার পর নাস্তায় আদর পায় শুভ্র। বাবা তাকে মার্কেটে পাঠায় আঁখি ও কাজিনদের সাথে। লাবণ্যর জন্য লাল লেহেঙ্গা ও সোনার গহনা কেনা হয়। ফেরার পথে গোসলের পানিতে ভিজে যায় শুভ্র। শেষে পাঞ্জাবি পরে সবাইকে চমকে দেয়।

একটি পানকৌড়ির গল্প | পর্ব ১০ | লিমার সত্য আর ফারিয়ার মুক্তি

একটি পানকৌড়ির গল্প পর্ব ১০-এ লিমা তার অতীতের কথা স্বীকার করে আফতাব হোসেনকে জানায় যে তার গর্ভে জন্মানো মেয়ে মারা গিয়েছিল। ফারিয়াকে সে নিজের মেয়ে ভাবত, কিন্তু তার মনস্তাত্ত্বিক চাপ ফারিয়ার উপর ভয়াবহ প্রভাব ফেলে। আফতাব হোসেন ফারিয়াকে তার জন্মদাত্রী মায়ের কাছে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন, যাতে সে মানসিকভাবে সুস্থ হতে পারে।

প্রত্যাখান | পর্ব ১০ | লুঙ্গি পরা শুভ্র আর লাবণ্যর লজ্জাভরা মুহূর্ত

প্রত্যাখান পর্ব ১০-এ শুভ্র বিয়েবাড়িতে কাদামাটিতে পড়ে গিয়ে লুঙ্গি পরতে বাধ্য হয়। কাজিনদের হাস্যরসে ঘিরে থাকা অবস্থায় লাবণ্য তাকে জামা-প্যান্ট আনতে পাঠায়। লাবণ্যর সামনে গা খুলতে গিয়ে শুভ্র লজ্জায় আর্তনাদ করে, আর লাবণ্য চুপচাপ তার মোবাইল ফেরত দেয়, দুজনের মধ্যে অদৃশ্য টান ঘনীভূত হয়।

তিনি এবং ও ! | পর্ব ৭ | নিদ্রের রঙিন ঘর আর অদ্রির বিধবা সত্য

তিনি এবং ও পর্ব ৭-এ নিদ্র তার ঘরে উদ্ভট রঙ করে রশিদ সাহেবের প্রতিক্রিয়া দেখার অপেক্ষায় থাকে। অদ্রির লাল চোখে আবার ভয় পায়। রশিদ সাহেব লুঙ্গীতে রাবার যোগ করায় বিরক্ত হয়েন। নিদ্রের সাধারণ প্রশ্নে অদ্রি বজ্রকণ্ঠে জবাব দেয়—সে বিধবা, আর তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে প্রশ্ন বন্ধ হোক।