মন ফড়িং | পর্ব ১ | বৃষ্টিতে ভিজব একসাথে

মন ফড়িং পর্ব ১-এ অদ্রি বৃষ্টির মধ্যে জানালায় দাঁড়িয়ে স্বপ্ন দেখে কাউকে নিয়ে, যে এসে তাকে ডাকবে ভিজতে। এদিকে লিলি নাম বদলের খেলায় মগ্ন, আর নিদ্র দাদীর সাথে মজার কথা বলে। পরিবারের গভীর আবেগ, বিচ্ছেদের ছায়া আর ভালোবাসার আশা ঘিরে তৈরি হয় আবেগঘন পরিবেশ।

প্রত্যাখান | পর্ব ৯ | মায়ের মিথ্যা অসুস্থতা আর শুভ্রের বিস্ময়

প্রত্যাখান পর্ব ৯-এ শুভ্র মা অসুস্থ শুনে আতঙ্কিত হয়ে নরসিংদী ছুটে যায়, কিন্তু সেখানে দেখে বাড়ি সাজানো হয়েছে বিয়ের আয়োজনে। মা তাকে মিথ্যা বলেছিলেন অসুস্থতার কথা। শুভ্র বুঝতে পারে এটা লাবণ্যর নতুন বিয়েতে তাকে নিয়ে আসার ছল। সবাই তাকে ঘিরে আনন্দ করছে, আর সে হতবাক।

প্রত্যাখান | পর্ব ৮ | লাবণ্যর বিয়ে ভাঙার চাঞ্চল্য আর পুলিশের হানা

প্রত্যাখান পর্ব ৮-এ লাবণ্যর বিয়ের আসরে চাঞ্চল্য ছড়ায় যখন পাত্র স্বীকার করে যে তার আগের বিয়ে ভাঙেনি। থানায় মামলা আছে, আইনের লোক আসতে পারে—এই ভয়ে বিয়ে ভাঙে। পুলিশ পাত্র ও পরিজনদের থানায় নিয়ে যায়। লাবণ্যর পরিবার ধ্বংসের মুখে।

প্রত্যাখান | পর্ব ৭ | লাবণ্যর ডিভোর্সের সত্য আর শুভ্রের ভেঙে পড়া

প্রত্যাখান পর্ব ৭-এ শুভ্র জানতে পারে লাবণ্য ডিভোর্সি, যা তাকে মানসিকভাবে ভেঙে দেয়। অশ্রুসিক্ত চোখে সে বাড়ি ছেড়ে চলে যায়। রাতে ঘুমহীনতা ও নিজের প্রতি ঘৃণায় ভোগে। পরে লাবণ্যের কলে আবেগের উত্তাল ঝড় ওঠে, কিন্তু শুভ্র তাকে তীব্র তিরস্কার করে। লাবণ্য চুপ করে কল কাটে।

প্রত্যাখান | পর্ব ৬ | লাবণ্যর বিয়ের প্রস্তাব আর ভাবির প্রতিবাদ

প্রত্যাখান পর্ব ৬-এ লাবণ্যর বিয়ের প্রস্তাব আসে এক বিবাহিত পুরুষের সাথে, যিনি দুই সন্তানের বাবা। ভাবি হেনা ও মা প্রতিবাদ করলেও লাবণ্য নিজেই রাজি হয়। পরিবারের চাপ, নৈতিক দ্বন্দ্ব আর লাবণ্যর নীরব আত্মত্যাগ ঘিরে তৈরি হয় আবেগঘন পরিস্থিতি।

প্রত্যাখান | পর্ব ৫ | লাবণ্যর পাত্র দেখা আর শুভ্রের হাহাকার

প্রত্যাখান পর্ব ৫-এ শুভ্র লাবণ্যকে নিয়ে কেনাকাটা করতে যায়, যেখানে তাদের মধ্যে অদ্ভুত আকর্ষণ ও চোখাচোখি ঘনীভূত হয়। পরদিন জানা যায়, লাবণ্যকে পাত্র দেখতে আসবে। শুভ্রের মনে হাহাকার তৈরি হয়, যখন সে বুঝতে পারে লাবণ্য হয়তো তাকে ছাড়াই বিয়ে করতে চলেছে।

প্রত্যাখান | পর্ব ৪ | লাবণ্যর চুপচাপ আগমন আর মায়ের নতুন বউয়ের মজা

প্রত্যাখান পর্ব ৪-এ শুভ্র অফিসে যাওয়ার আগে লাবণ্যকে দেখে, যে চুপচাপ আসে আর চোখ ফিরিয়ে নেয়। মা নতুন বউয়ের মজা করে, আর লাবণ্য তা শুনে চলে যায়। বাবা চাকরির টাকায় ফ্ল্যাট কিনতে চায়, পরিবারের মায়া আর ভবিষ্যতের পরিকল্পনা নিয়ে আবেগঘন মুহূর্ত তৈরি হয়।

বাকি রয়ে গেছে শব্দকার

ভালোবাসা চলে গেলেও অনেক কিছু বাকি থেকে যায়—অনুভূতি, আবদার, বৃষ্টিতে ভিজবার ইচ্ছা, বালকনির চেয়ারে অপেক্ষা আর নোটে লেখা নাম। এই গল্পে ফুটে উঠেছে ভালোবাসার অসমাপ্ত আকাঙ্ক্ষার করুণ সুর।

স্মৃতির পাতা | হৃদয়ের ছোটবেলার স্মৃতি আর ইতির অপূর্ণ ভালোবাসা

ইতি বারোজন পাত্র প্রত্যাখ্যান করেছে, কিন্তু কারণ জানে শুধু সে। ছোটবেলার হৃদয়ের স্মৃতি তার মনে এখনও জাগ্রত। ক্লাসের প্রথম দিন, পেয়ারা চুরি, ক্রিকেট ম্যাচ—সবই মনে পড়ে। হৃদয় কি তাকে মনে রেখেছে? নাকি শুধু ইতির মনেই জীবন্ত সেই স্মৃতি?

অবেলায় ভালোবাসা | অন্তিম পর্ব | চুহেসের বিদায় আর গাইথির নতুন শুরু

অবেলায় ভালোবাসা অন্তিম পর্বে চুহেসের কিডনি বিকল হয়ে মৃত্যু হয়। হাসপাতালে সবাইকে নিয়ে স্বীকারোক্তি দেয়, গাইথিকে ভালোবাসার কথা বলে। গাইথি ভেঙে পড়ে। পরে সাইমুমের সাথে বিয়ে হয় তার, আর বাসর রাতে বৃষ্টিতে সাইমুম গান ধরে—ভালোবাসার নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়।

অবেলায় ভালোবাসা | পর্ব ২২ | চুহেসের ফিরে আসা আর গাইথির উদ্বেগ

অবেলায় ভালোবাসা পর্ব ২২-এ গাইথি সাইমুমের কলে ভয় ও উদ্বেগে ভোগে, আর চুহেসের সাথে বিয়ে নিয়ে তাকে হুমকি দেওয়া হয়। চুহেস ফ্রান্স থেকে ফিরে আসে, কিন্তু গাড়িতে আসন্ন বমি আর হঠাৎ অজ্ঞান হয়ে পড়ে ওয়াশরুমে, যা গাইথিকে আতঙ্কিত করে তোলে।

অবেলায় ভালোবাসা | পর্ব ২১ | চুহেসের বিদায় আর গাইথির ভয়

অবেলায় ভালোবাসা পর্ব ২১-এ চুহেস গাইথিকে রাবেয়া খালার অসুস্থতার কথা জানায় এবং ফ্রান্সে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়। গাইথি মন খারাপে ভাসে, কিন্তু তাকে সামলে নেয়। চুহেস বিদায়ের সময় গাইথিকে ভালোবাসার স্বীকারোক্তি দেয়, আর গাইথি চোখের পানি লুকায় ঘোমটা টেনে।