অজানা অনুভূতি | পার্ট: ২
প্রাপ্তি ফুফুর বাড়িতে এসেছে। ফুফি তাকে এবং নীরাকে এক রুমে রেখে দিয়েছে। প্রাপ্তি ফারহানের সাথে ফোনে কথা বলে। ফারহান প্রাপ্তিকে রাগাতে ভালোবাসে। প্রাপ্তি আয়ানের সাথে এসএমএস করে। আয়ান প্রাপ্তিকে পছন্দ করে।
প্রাপ্তি ফুফুর বাড়িতে এসেছে। ফুফি তাকে এবং নীরাকে এক রুমে রেখে দিয়েছে। প্রাপ্তি ফারহানের সাথে ফোনে কথা বলে। ফারহান প্রাপ্তিকে রাগাতে ভালোবাসে। প্রাপ্তি আয়ানের সাথে এসএমএস করে। আয়ান প্রাপ্তিকে পছন্দ করে।
আয়ান তানিশার জন্য অনেক গুলো শাড়ি নিলো। আয়ান তানিশাকে তার বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছে কয়েক দিনের জন্য। আয়ান তানিশাকে মিস করছে।
আয়ান তানিশাকে ভালোবাসে কিনা সে জানে না, তানিশাকে তার ভালোলাগে। আয়ানের মা তানিশাকে আয়ানের বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়েছে কয়েক দিনের জন্য। আয়ান তানিশাকে মিস করছে।
শিহাবের পরিবর্তন, নিশুর উদ্বেগ, অনিকের বাসায় নিশু, আবিরকে নিয়ে শিহাবের মনোযোগ, অনিকের সাথে নিশুর কথা, অঘটনায় অনিকের মৃত্যু, ২০ বছর পর আবিরের দেশে ফেরা
নিশু ভাবনা থেকে বেরিয়ে এলো। শিহাব দাঁড়িয়ে আছে নিশুর দিকে তাকিয়ে। শিহাব বললো, ভাবনা চিন্তা সব শেষ হলো? দুপুরের পরথেকে অনেক ভাবা হয়েছে, আর ভাবতে হবে না। এখন খাবে চলো, রাত অনেক হয়েছে।
রেহানা বেগমের চিৎকারে অনিক আর নিশু দৌড়ে এলো। নিশু জানতে পেরেছে আনিকা রাফির ভাইয়ার সাথে পালিয়ে গেছে। নিশুকে নিয়ে রেহানা বেগমের সাথে অনিকের ঝগড়া। নিশু বাড়ি ছেড়ে চলে যেতে চায়।
নিশু আর আনিকা ডাক্তার দেখিয়ে রিপোর্টের জন্য অপেক্ষা করছে। নিশু অনিকের কথা ভাবছে। রিপোর্ট এসে গেছে, নিশু প্রেগন্যান্ট।
নিশু আর অনিকের সংসার ভালোই চলছে, কিন্তু অনিকের মা নিশুকে মেনে নিতে কুন্ঠাবোধ করছেন। নিশু রান্না করতে গিয়ে আনিকার সাথে কথা বলছিল, তখন আনিকা রাফিকে ভালোবাসে বলে জানায়। অনিক নিশুকে তার মায়ের সাথে কথা বলতে বলে। নিশু অসুস্থ বোধ করছে।
নিশুকে দেখে অনিকের হাঁসি, বিয়ের প্রস্তাব, নিশুর বাবা-মায়ের আচরণ, অনিকের পরিবারের সাথে পরিচয়
নিশিতার গায়ে হলুদ, অনিকের সাথে নিশুর প্রেমের সম্পর্ক, নিশুর বাবার আপত্তি এবং অনিকের প্রস্তাব
নিশু বাসায় এসে নিজের রুমে দরজা বন্ধ করে দেয়। শিহাব ও ইয়াসমিন বেগম দরজা ধাক্কাতে থাকে। নিশু অনিকের সঙ্গে দেখা হওয়ার পর থেকে এই রকম করছে। অনিক নিশুকে ভালোবাসে কিন্তু সাহস করে বলতে পারে না। রাফি অনিকের সাহায্যে এগিয়ে আসে।
পুরোনো ভালোবাসা পর্ব ৫-এ শিহাব অনিকের সঙ্গে গোপন সাক্ষাৎ করে, নাস্তা শেষে রেস্টুরেন্টে অপ্রত্যাশিত পরিচয় ও বাচ্চা‑বাড়ির কথাবার্তা উন্মোচিত হয়, যা গল্পের নতুন মোড় এনে দেয়।