একবৃষ্টির দিনে | পার্ট: ৩ | আয়ানের মনের দ্বন্দ্ব
আয়ানের বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে, কিন্তু তার মন তানিশার প্রতি আকর্ষণ অনুভব করছে না। আয়ান তার বাবা-মায়ের কথা রাখতে চেয়েছে, কিন্তু তানিশাকে ভালোবাসতে পারছে না।
আয়ানের বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে, কিন্তু তার মন তানিশার প্রতি আকর্ষণ অনুভব করছে না। আয়ান তার বাবা-মায়ের কথা রাখতে চেয়েছে, কিন্তু তানিশাকে ভালোবাসতে পারছে না।
আয়ান বিয়ের আগে তানিশাকে কষ্ট দিতে চায় না। আয়ান তানিশার দিকে তাকায় না। তানিশা আয়ানের জন্য অপেক্ষা করে।
সকাল থেকে বৃষ্টি, বিকাল ৫টায় আয়ানের বাসায় যাওয়ার পথে তার সাথে এক মেয়ের দেখা হয়। মেয়েটি সুন্দর হওয়ায় আয়ান তাকে ভুলতে পারে না। ৩ বছর পরেও আয়ান মেয়েটিকে খুঁজে পায়নি।
নিশু বাসায় এসে নিজের রুমে দরজা বন্ধ করে দেয়। শিহাব ও ইয়াসমিন বেগম দরজা ধাক্কাতে থাকে। নিশু অনিকের সঙ্গে দেখা হওয়ার পর থেকে এই রকম করছে। অনিক নিশুকে ভালোবাসে কিন্তু সাহস করে বলতে পারে না। রাফি অনিকের সাহায্যে এগিয়ে আসে।
সৌরভের জ্বর এবং শারলিনের চিন্তা, বড় ফুপু এবং মেজো ফুপুর রহস্যময় আচরণ নিয়ে আবেগঘন কাহিনী।
সৌরভের সাথে শারলিনের রাত জাগার রোমান্টিক মুহূর্ত। সৌরভের স্বপ্নের ভবিষ্যদ্বাণী এবং শারলিনের সাথে তার আবেগঘন কথা কাটাকাটি।
সৌরভের সাথে আমার সামনে চেয়ার টেনে নিয়ে বসে। তারপর বলল একটা বাজে কিছু ঘটে গেছে। আমার ইচ্ছে ছিলো বলবো না। তারপর ভাবলাম বলে দেয়াটা ভালো।
খাওয়া শেষ হবার পর ও বলল – আমি এসব নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করছি। তুমি একটু বিশ্রাম নাও। Maria Kabir এর লেখা একটি রোমান্টিক গল্প।
কপাল ঘামে ভিজে আছে। ওকে ডাকা যাবেনা। আমার জন্যে এমনিতেই অনেক ঝামেলায় পড়তে হয়েছে। এখন ঘুমানো যাবে না। টেলিভিশন ছেড়ে খুঁজতে থাকলাম কোনো ভালো মুভি হচ্ছে নাকি।
সৌরভের সাথে শারলিনের চ্যাটিং, শারলিনের ভয় পাওয়া এবং সৌরভের মামার বাড়ি হওয়া নিয়ে আলোচনা। সৌরভের প্রথম প্রেমের ব্রেকআপ এবং শারলিনের ছবি দেখে সৌরভের মজা করার ইচ্ছা।
সৌরভের রাতের বাসায় আগমন এবং শারলিনের সাথে তার আবেগঘন কথা কাটাকাটি। শারলিনের হাত কাটার পর সৌরভের আচরণ নিয়ে আলোচনা।
শারলিনের হাত কাটার পর নীল তাকে হাসপাতালে ভর্তি করে দিয়েছে। নীল শারলিনের স্বপ্নের মানুষ, কিন্তু শারলিন বিয়ে ভেঙে যাওয়ার কারণে আত্মীয় স্বজনদের অনুপস্থিতিতে একা একা বাড়িতে ফিরে এসেছে।