সর্বনাশের দিনে | প্রথম দেখা
সর্বনাশের দিনে পর্ব ১-এ শিবপুর কলেজ গেটে প্রথমবার মুখোমুখি হয় তারা। লজ্জায় রাঙা গালে এক অচেনা প্রেমের সূচনা, চোখে চোখ রেখে কথা হয় না, তবু মন ভরে ওঠে অপরূপ আবেগে।
সর্বনাশের দিনে পর্ব ১-এ শিবপুর কলেজ গেটে প্রথমবার মুখোমুখি হয় তারা। লজ্জায় রাঙা গালে এক অচেনা প্রেমের সূচনা, চোখে চোখ রেখে কথা হয় না, তবু মন ভরে ওঠে অপরূপ আবেগে।
ফাগুণের নবধারা পর্ব ২-এ ইলমা ফাহিমের সাথে যোগাযোগ করতে ব্যর্থ হয় আর নিঝুমের সাথে তার তিক্ত মুখোমুখি হয়। এদিকে রোকসানা ছাদে রোদ পোহাতে গিয়ে আবিদের সাথে অপ্রত্যাশিত দেখা হয়, যার নাম শুনেই তার বুক ধক করে ওঠে।
ফাগুণের নবধারা পর্ব ১-এ বৃষ্টিতে ভিজে সুমু নাভিদের সাথে কুল্ফি খায় আর হুমায়ূন আহমেদের কথা মনে করে চা খেতে চায় বৃষ্টিতে। নাভিদ ওকে গাড়িতে তোলে, জ্বরে ভোগে সুমু। বাড়িতে নিধি ও নিঝুমের ঠাট্টা-তামাশা, আর রুকু আসার খবরে নিঝুমের মন উৎফুল হয়।
খেলাঘর পর্ব ৬-এ ইহান মিথিলাকে বাড়িতে পার্টির জন্য আমন্ত্রণ জানায়। মিথিলা প্রথমে না বললেও ইহান চশমাওয়ালা চোর ধরার ছলে রাজি করায়। পরদিন অরনি তাকে নিয়ে আসে এবং বাড়ি ফুলে সাজানো দেখে মিথিলা অবাক হয়। ইহান তাকে 'বরন' করে, কিন্তু মিথিলা সন্দেহ করতে থাকে।
খেলাঘর পর্ব ৪-এ মিথিলা শাড়ি পরতে অস্বীকার করে, কিন্তু ইহানের মুগ্ধতা আরও বাড়ে। কবিতা আবৃতির পর চাপে পড়ে মিথিলা গান গায়, যা সবাইকে নীরব করে দেয়। রহিম স্যার তার প্রশংসা করেন, আর ইহান মনে মনে স্বীকার করে যে মিথিলা তার জন্য অসাধারণ।
তিনি এবং ও পর্ব ১০-এ নিদ্র বাগানে বসে থাকাকালীন অদ্রি তার চুলের রঙ জানতে চায়। নিদ্র জানায় সে ডাবল সংকর বাঙালী—বাবা বাঙালী, মা ইংরেজ। মায়ের মৃত্যুর কথা শুনে বড় হয়েছে সে, কিন্তু একদিন এক বয়স্ক মহিলা তাকে বলে—"তোমার মা জীবিত, তোমাকে দেখতে চায়"। রহস্য ঘনীভূত হয়, আর অদ্রি নিজের মায়ের কথা মনে করে।
তিনি এবং ও পর্ব ৯-এ নিদ্র ঘুমে তার মায়ের কণ্ঠস্বর শুনে জেগে উঠে। রশিদ সাহেব তাকে অদ্রির সাথে ঘুরতে বললে সে মজার উত্তর দেয়। খাবার টেবিলে অদ্রির সাদা পোশাক নিয়ে নিদ্র প্রথমবার তার নাম ধরে মন্তব্য করে, যা অদ্রিকে আশ্চর্য করে দেয়। দুজনের মধ্যে অদৃশ্য সম্পর্কের শুরু ঘটে।
নিষাদ নামের এক সুন্দর ছেলে এক অসুন্দর মনে করা মেয়েকে প্রচণ্ড ভালোবাসে, যা তার আত্মবিশ্বাস ফিরিয়ে দেয়। ক্যাম্পাসে অপমানিত হলেও নিষাদ তার প্রেমে অটল থাকে। সমাজের চাপে সম্পর্ক ছাড়ার চিন্তা হলেও তারা একে অপরকে পায়, আর বিয়ের পর প্রাক্তন প্রেমিকার মুখে সত্যি ফুটে ওঠে।
ডুমুরের ফুল পর্ব ৯-এ জাদিদ এক সুন্দর স্বপ্ন থেকে ঘুম ভাঙে এবং রাত ৩টায় হেমলতাকে ফোন করে। স্বপ্নে দেখা মেয়েটি নিয়ে আবেগ নিয়ে কথা বলে সে, কিন্তু তাকে চিনতে পারে না। হেমলতার সাথে গভীর আত্মীয়তার আলোচনায় জাদিদ তার মা-বাবার ডিভোর্সের ব্যথা খুলে বলে। পরীক্ষার আগের রাতে তাদের আবেগঘন কথোপকথন চলে।
ডুমুরের ফুল পর্ব ৮-এ জাদিদ হেমলতার চুল বেঁধে দেয়, আর তাদের মধ্যে অনুভূতির পরিবর্তন ঘটে। হেমলতা নানীর অসুস্থতায় চিন্তিত হয়। জাদিদ ঘুমে স্বপ্নে দেখে সাদা শাড়ির হেমলতাকে ঝুমুর পরে দাঁড়িয়ে আছে। স্বপ্নে তার হাসি ও চেনা মুখ জাদিদকে মুগ্ধ করে।
ডুমুরের ফুল পর্ব ৬-এ হেমলতা জাদিদের সাথে র্যাফেলসে যায় এবং তার মা-এর সাথে অপ্রত্যাশিত দেখা হয়। জাদিদ মজা করে বিয়ের কথা বললে হেমলতা ভয় পায়, কিন্তু পরে জানতে পারে তার আসল উদ্দেশ্য ছিল মায়ের সাথে দেখা। মায়ের সাথে আবেগঘন মুহূর্ত ও অতীতের কথা ফুটে ওঠে।
ডুমুরের ফুল পর্ব ৫-এ জাদিদ হেমলতাকে রাতে ফোন করে পড়ার সাহায্য অফার করে। ফেসবুকে গণিতের সমাধান পাঠানো শুরু হয়, আর হেমলতা মনোযোগ দিয়ে প্র্যাকটিস করে। পরদিন নানী তাকে ঘুম না ভাঙার পর পড়তে দেখে অবাক হয়। পরীক্ষার চাপে হেমলতার উন্নতি শুরু হয়, আর জাদিদ তা উপভোগ করে।