ট্যাগ প্রথম দেখা

নিশ্চুপ বালিকা | অন্তিম পর্ব | নূপুরের সন্ধান আর ভালোবাসার প্রস্তাব

নিশ্চুপ বালিকা অন্তিম পর্বে শুভ্র দূর্ঘটনার স্থলে নীলিমার নূপুর খুঁজে পায়, আর্তনাদ করে মাটিতে বসে পড়ে। তখনই বাসে চিপস খাওয়া নীলিমাকে দেখতে পায়। তাকে নামিয়ে এনে ভালোবাসার কথা জানায়। শাকিলার কলে সব সত্য ফাঁস হয়। শেষে বুকে জড়িয়ে নীলিমাকে বিয়ের প্রস্তাব দেয় শুভ্র, আর নীলিমা হাসি-চোখে জবাব দেয়—সন্তানের মাও হতে চায়।

নিশ্চুপ বালিকা | পর্ব ১০ | ছবি আর পটলচেরা চোখের রহস্য

নিশ্চুপ বালিকা পর্ব ১০-এ শুভ্র অনার্স ফার্স্ট ইয়ারের নতুন ভর্তি ছাত্রীর ছবি পায় এবং তার পটলচেরা চোখ নিয়ে মুগ্ধ হয়। মায়ের সাথে আলোচনায় বলে চোখ তাকে আকৃষ্ট করেছে। পর্দার আড়ালে দাঁড়িয়ে নীলিমা সব শুনে, হৃদয় ভেঙে পড়ে এবং চোখের পানি আটকে দ্রুত স্থান ছেড়ে চলে যায়।

তুমি আমার অমূল্য রতন | প্রেমের স্বীকারোক্তি আর জন্মদিনের আনন্দ

নিলীমা আগে তন্নয়কে অবহেলা করত, কিন্তু তার অনুপস্থিতিতে ভালোবাসা বুঝে ওঠে। তন্নয়ের জ্বরের খবরে মুষড়ে পড়ে সে, তাকে জড়িয়ে ধরে স্বীকার করে তাকে অমূল্য রতন। বিয়ে, গর্ভাবস্থা, জমজ সন্তানের পর তন্নয়ের জন্মদিনে নিলীমা আবার ভালোবাসা প্রকাশ করে।

অ্যাংগ্রি হাজব্যান্ড ২ | পর্ব ৬ | গিটারের সুরে ভাঙা বাধা আর প্রথম দেখার রহস্য

আনহা গিটার বাজিয়ে গান গায়, আরাভ মুগ্ধ হয়। আইসক্রিমের মজায় হাসি, কপালে চুমুতে ভালোবাসার ইঙ্গিত। রাতে আরাভ স্মরণ করে প্রথম দেখার কথা, যখন ফুলের আড়ালে জান্নাতের ষড়যন্ত্র ফাঁস করে আনহা তাকে বাঁচায়। ভাঙা বাধা আর গোপন স্মৃতির মধ্যে দুজনের সম্পর্কে আসে নতুন মোড়।

নিশ্চুপ বালিকা | পর্ব ৮ | বাবার অপমান আর শুভ্রের রাতের আমন্ত্রণ

নীলিমার খালা ফোনে জানায় তার বাবা নেশায় বাজারে এক মহিলার উপর পড়ে যায় এবং পায়ে ক্যাম্পাসে পিটিত হয়, যা নীলিমাকে ভেঙে ফেলে। প্রিন্সিপাল মেমের সান্ত্বনা আর শুভ্রের সাথে খাওয়ার সময় সে রাতে শহর দেখার আমন্ত্রণ পায়, যা তার মনে আশার আলো জাগায়।

নিশ্চুপ বালিকা | পর্ব ৭ | ছাদের আড্ডা আর কবিতার মায়া

নীলিমা ছাদে শুভ্রকে দেখে পালাতে গেলে সে তাকে ডেকে থামায়। রাতের নিস্তব্ধতায় নীলিমা আবৃতি করে এক বিচ্ছেদের কবিতা, যা শুনে শুভ্র মুগ্ধ হয়। দুজনের মধ্যে শুরু হয় কাব্য কথন, যেখানে বসন্ত আর শ্রাবণের রূপকে ফুটে ওঠে ভালোবাসা ও বিচ্ছেদের আবেগ।

নিশ্চুপ বালিকা | পর্ব ৬ | নতুন বাসায় নীলিমা আর শুভ্রের অপ্রত্যাশিত দেখা

নীলিমা আন্টির বাসা ছেড়ে প্রিন্সিপাল মেমের বাসায় আসে। রাস্তায় শুভ্রের সাথে ধাক্কা লাগে, যে তাকে ধরে রাখে। খাবার টেবিলে শুভ্র আসে এবং নীলিমা জানতে পারে সে প্রিন্সিপালের ছেলে। লজ্জায় নীলিমা মাথা নিচু করে। প্রেমের গোপন টান আর কৌতূহল জমে ওঠে।

নিশ্চুপ বালিকা | পর্ব ৫ | প্রিন্সিপালের ডাক আর নীলিমার বাসার সমাধান

নীলিমা প্রিন্সিপালের ডাকে উদ্বিগ্ন হয়ে রুমে যায়। প্রিন্সিপাল মেম তার বাসার সমস্যা জেনে নীলিমাকে নিজের বাসায় থাকার ব্যবস্থা করে দেন। শুভ্রকে নির্দেশ দেওয়া হয় কাল থেকে নীলিমাকে আনতে। নীলিমার চিন্তা কাটে, আর শুভ্রের মনে ফুটে ওঠে মৃদু হাসি।

নিশ্চুপ বালিকা | পর্ব ৩ | শহরে প্রথম পদার্পণ আর বয়ফ্রেন্ডের ছবি

নীলিমা আর শুভ্র বাসা খুঁজে ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসে। শহরে প্রথমবার একা ঘোরার ইচ্ছা পূরণে শুভ্র নিয়ে যায় নদীর পাড়ে। রিক্সায় হাত ধরা, চোখাচোখি, আবেগের টান। পরদিন তাসনিয়া নীলিমার ফোনের ওয়ালপেপারে তার বয়ফ্রেন্ডের ছবি দেখে চুপ হয়ে যায়। শুভ্রের হৃদয় ভেঙে যায়।

নিশ্চুপ বালিকা | পর্ব ২ | বাসার সংকট আর শুভ্রের সাহায্যের আহ্বান

নীলিমা বাসায় জায়গার অভাবে চাপে পড়ে। ক্যাম্পাসে শুভ্রকে দেখে সাহায্য চায় বাসা খুঁজতে। শুভ্র তাসনিয়ার সাথে ঝগড়া করে মন খারাপ করে রেখেছে। নীলিমার আহ্বানে সাড়া দেয় সে, আজই এলাকা ঘুরিয়ে বাসা খুঁজতে রাজি হয়। প্রেমের প্রথম পদক্ষেপ শুরু হয় এই পর্বে।

নিশ্চুপ বালিকা | পর্ব ১ | প্রথম দেখা আর চোখে চোখে ভালোবাসা

অনার্স প্রথম বর্ষের নবীন ছাত্রী নীলিমা আর চতুর্থ বর্ষের নেতা শুভ্রের প্রথম দেখা। চুপচাপ স্বভাবের নীলিমা ক্লাসের পিছনে একা বসে থাকে, আর শুভ্র তার মায়ামাখা চোখে হারিয়ে যায়। বরণ অনুষ্ঠানে তাকে ফুল দেয়, কথা বলে। ক্যাম্পাসে আড্ডায় যোগ দিতে বলে। শেষে কলেজ গেটে আবার দেখা, পরিচয় হয়। প্রেমের শুরু এই পর্বে।

অবেলায় ভালোবাসা | পর্ব ৪ | চুহেসের রহস্যময় আহ্বান আর গাইথির মনের দ্বন্দ্ব

চুহেস গাইথিকে দিঘীর উত্তর পাশের খালি জায়গায় সকালে দেখা করতে আহ্বান জানায়, গাইথি অবাক হয় তার রোবটের মতো আচরণে। বাড়িতে ফিরে গাইথি মনে মনে ভাবে, আর ঠিক তখন আমেরিকা থেকে শ্রুতি আপুর কল আসে। ভালোবাসা, অতীত আর রহস্যের মিশেলে ঘুরেছে এই পর্ব।