লেখক অনামিকা ইসলাম অন্তরা

হৃদয়ের রক্তক্ষরণ

অন্তরা ঢাকার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়ে মারুফের প্রেমে জড়িয়ে পড়েন, কিন্তু বিয়ের আবেদনে তাকে প্রত্যাখ্যান করা হয়। ভাঙা হৃদয় নিয়ে মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েন, তবে চার্লস ডিকেন্সের মতো ক্ষত থেকে শক্তি নিয়ে লেখালেখির মাধ্যমে নিজেকে গড়ে তোলেন।

আনন্দ অশ্রু | বিয়ের দিনে চাচার মৃত্যু আর লুকানো সত্যের চিঠি

বিয়ের দিন চাচার মৃত্যু সত্ত্বেও বাঁধন মাহমুদ মায়ার বিয়ে ঘটায়, চিঠির মাধ্যমে জানায় সত্য। অবহেলিত মনের কষ্ট ভাঙে ভালোবাসার আবেগঘন স্বীকারোক্তিতে। এক অনাথের দায়িত্ব আর প্রেমের মিলনের গল্প।

দহন | প্রথম দেখা থেকে ভালোবাসার জ্বালা

ক্লাস নাইনের ছোট্ট মেয়ে মায়া আর তার ভাইয়ের বন্ধুর চোখে চোখে ভালোবাসা শুরু হয়। ৪ বছর ধরে নীরব প্রেম, অপূর্ণ ইচ্ছা, আর বাধা। বিয়ের প্রস্তাব নাকচ হওয়ায় বন্ধুত্ব ভেঙে যায়। মায়াকে জোর করে বিয়ে দেওয়া হয়। ভালোবাসার অভিশাপ হয়ে দাঁড়ায় দুজনের জীবনের দহনের কাহিনী।

ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প | প্রেমের প্রতিজ্ঞা আর এসিড হামলার পর নতুন জীবন

মায়াকে এসিড হামলায় বিকৃত করা হয়, কিন্তু শুভ্র তাকে ছাড়েনি। বিয়ে করে নতুন জীবন দেয়, প্রমাণ করে ভালোবাসা সবচেয়ে বড় প্রতিশোধ। মানসিক যন্ত্রণা, আত্মহত্যার চেষ্টা, কিন্তু প্রতিদিন লড়াই চালিয়ে সুখের পথে এগিয়ে যায় তারা।

চোরাবালি | প্রথম দেখা থেকে ভালোবাসার চোরাবালি

মায়ার মিথ্যে ছবি দেখে বিশ্বাস ভেঙে যায় বাঁধনের। বিয়ে হয় কিন্তু অবহেলা চলে। চার বছর পর ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত মায়া হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে লড়ছে। শেষ মুহূর্তে বাঁধন বুঝে যায় ভালোবাসার সত্য। এক নিঃশব্দ আবেগের গল্প যেখানে ভালোবাসা হারিয়ে যায় চোরাবালিতে।

ভুলের মাসুল | রুপার ভুল আর মিলনের ত্যাগ

রুপা মিলনকে ছেড়ে ধনী হাসিফের কাছে গেলেও ঠকে একাকী ফিরে আসে। বাউল সংসারের সহজ ভালোবাসা আর আর্থিক দৈন্যের মধ্যে সে বেছে নেয় ভুল পথ। কিন্তু সত্যিকারের ভালোবাসার মূল্য বুঝতে দেরি হয় না। এক মর্মস্পর্শী প্রেম ও পশ্চাত্তাপের গল্প।

মোরগ-মুরগির প্রেমলীলা | প্রেমের অদ্ভুত বৈশিষ্ট্য

এক অনন্য প্রেমের গল্প যেখানে পাশের বাড়ির মোরগ আমাদের মুরগির প্রহরী হয়ে থাকে। খাবার জোগাড় করে, ডিম পাড়ার সময় পাহারা দেয়, আর অন্য মোরগ এলে তাড়ায়। প্রেম, আবেগ, আর পশুজগতের অদেখা সম্পর্কের এক মর্মস্পর্শী পর্যবেক্ষণ।

নিশ্চুপ বালিকা | পর্ব ১ | প্রথম দেখা আর চোখে চোখে ভালোবাসা

অনার্স প্রথম বর্ষের নবীন ছাত্রী নীলিমা আর চতুর্থ বর্ষের নেতা শুভ্রের প্রথম দেখা। চুপচাপ স্বভাবের নীলিমা ক্লাসের পিছনে একা বসে থাকে, আর শুভ্র তার মায়ামাখা চোখে হারিয়ে যায়। বরণ অনুষ্ঠানে তাকে ফুল দেয়, কথা বলে। ক্যাম্পাসে আড্ডায় যোগ দিতে বলে। শেষে কলেজ গেটে আবার দেখা, পরিচয় হয়। প্রেমের শুরু এই পর্বে।

নিশ্চুপ বালিকা | পর্ব ২ | বাসার সংকট আর শুভ্রের সাহায্যের আহ্বান

নীলিমা বাসায় জায়গার অভাবে চাপে পড়ে। ক্যাম্পাসে শুভ্রকে দেখে সাহায্য চায় বাসা খুঁজতে। শুভ্র তাসনিয়ার সাথে ঝগড়া করে মন খারাপ করে রেখেছে। নীলিমার আহ্বানে সাড়া দেয় সে, আজই এলাকা ঘুরিয়ে বাসা খুঁজতে রাজি হয়। প্রেমের প্রথম পদক্ষেপ শুরু হয় এই পর্বে।

নিশ্চুপ বালিকা | পর্ব ৩ | শহরে প্রথম পদার্পণ আর বয়ফ্রেন্ডের ছবি

নীলিমা আর শুভ্র বাসা খুঁজে ব্যর্থ হয়ে ফিরে আসে। শহরে প্রথমবার একা ঘোরার ইচ্ছা পূরণে শুভ্র নিয়ে যায় নদীর পাড়ে। রিক্সায় হাত ধরা, চোখাচোখি, আবেগের টান। পরদিন তাসনিয়া নীলিমার ফোনের ওয়ালপেপারে তার বয়ফ্রেন্ডের ছবি দেখে চুপ হয়ে যায়। শুভ্রের হৃদয় ভেঙে যায়।

নিশ্চুপ বালিকা | পর্ব ৪ | প্রাক্তনের ছবি আর শুভ্রের অবহেলা

নীলিমা প্রাক্তন বয়ফ্রেন্ডের ছবি ওয়ালপেপারে রাখে ঘৃণা জানানোর জন্য। বান্ধবী শাকিলা প্রশ্ন করে, শুভ্রকে খুঁজতে নীলিমা প্রিন্সিপালের রুমে যায়। শুভ্র তাকে অবহেলা করে চলে যায়। হতাশ নীলিমা একাকী ফিরে আসে।

নিশ্চুপ বালিকা | পর্ব ৫ | প্রিন্সিপালের ডাক আর নীলিমার বাসার সমাধান

নীলিমা প্রিন্সিপালের ডাকে উদ্বিগ্ন হয়ে রুমে যায়। প্রিন্সিপাল মেম তার বাসার সমস্যা জেনে নীলিমাকে নিজের বাসায় থাকার ব্যবস্থা করে দেন। শুভ্রকে নির্দেশ দেওয়া হয় কাল থেকে নীলিমাকে আনতে। নীলিমার চিন্তা কাটে, আর শুভ্রের মনে ফুটে ওঠে মৃদু হাসি।