লেখক অনামিকা ইসলাম অন্তরা

প্রত্যাখান | পর্ব ৫ | লাবণ্যর পাত্র দেখা আর শুভ্রের হাহাকার

প্রত্যাখান পর্ব ৫-এ শুভ্র লাবণ্যকে নিয়ে কেনাকাটা করতে যায়, যেখানে তাদের মধ্যে অদ্ভুত আকর্ষণ ও চোখাচোখি ঘনীভূত হয়। পরদিন জানা যায়, লাবণ্যকে পাত্র দেখতে আসবে। শুভ্রের মনে হাহাকার তৈরি হয়, যখন সে বুঝতে পারে লাবণ্য হয়তো তাকে ছাড়াই বিয়ে করতে চলেছে।

প্রত্যাখান | পর্ব ৬ | লাবণ্যর বিয়ের প্রস্তাব আর ভাবির প্রতিবাদ

প্রত্যাখান পর্ব ৬-এ লাবণ্যর বিয়ের প্রস্তাব আসে এক বিবাহিত পুরুষের সাথে, যিনি দুই সন্তানের বাবা। ভাবি হেনা ও মা প্রতিবাদ করলেও লাবণ্য নিজেই রাজি হয়। পরিবারের চাপ, নৈতিক দ্বন্দ্ব আর লাবণ্যর নীরব আত্মত্যাগ ঘিরে তৈরি হয় আবেগঘন পরিস্থিতি।

প্রত্যাখান | পর্ব ৭ | লাবণ্যর ডিভোর্সের সত্য আর শুভ্রের ভেঙে পড়া

প্রত্যাখান পর্ব ৭-এ শুভ্র জানতে পারে লাবণ্য ডিভোর্সি, যা তাকে মানসিকভাবে ভেঙে দেয়। অশ্রুসিক্ত চোখে সে বাড়ি ছেড়ে চলে যায়। রাতে ঘুমহীনতা ও নিজের প্রতি ঘৃণায় ভোগে। পরে লাবণ্যের কলে আবেগের উত্তাল ঝড় ওঠে, কিন্তু শুভ্র তাকে তীব্র তিরস্কার করে। লাবণ্য চুপ করে কল কাটে।

প্রত্যাখান | পর্ব ৮ | লাবণ্যর বিয়ে ভাঙার চাঞ্চল্য আর পুলিশের হানা

প্রত্যাখান পর্ব ৮-এ লাবণ্যর বিয়ের আসরে চাঞ্চল্য ছড়ায় যখন পাত্র স্বীকার করে যে তার আগের বিয়ে ভাঙেনি। থানায় মামলা আছে, আইনের লোক আসতে পারে—এই ভয়ে বিয়ে ভাঙে। পুলিশ পাত্র ও পরিজনদের থানায় নিয়ে যায়। লাবণ্যর পরিবার ধ্বংসের মুখে।

প্রত্যাখান | পর্ব ৯ | মায়ের মিথ্যা অসুস্থতা আর শুভ্রের বিস্ময়

প্রত্যাখান পর্ব ৯-এ শুভ্র মা অসুস্থ শুনে আতঙ্কিত হয়ে নরসিংদী ছুটে যায়, কিন্তু সেখানে দেখে বাড়ি সাজানো হয়েছে বিয়ের আয়োজনে। মা তাকে মিথ্যা বলেছিলেন অসুস্থতার কথা। শুভ্র বুঝতে পারে এটা লাবণ্যর নতুন বিয়েতে তাকে নিয়ে আসার ছল। সবাই তাকে ঘিরে আনন্দ করছে, আর সে হতবাক।

প্রত্যাখান | পর্ব ১০ | লুঙ্গি পরা শুভ্র আর লাবণ্যর লজ্জাভরা মুহূর্ত

প্রত্যাখান পর্ব ১০-এ শুভ্র বিয়েবাড়িতে কাদামাটিতে পড়ে গিয়ে লুঙ্গি পরতে বাধ্য হয়। কাজিনদের হাস্যরসে ঘিরে থাকা অবস্থায় লাবণ্য তাকে জামা-প্যান্ট আনতে পাঠায়। লাবণ্যর সামনে গা খুলতে গিয়ে শুভ্র লজ্জায় আর্তনাদ করে, আর লাবণ্য চুপচাপ তার মোবাইল ফেরত দেয়, দুজনের মধ্যে অদৃশ্য টান ঘনীভূত হয়।

প্রত্যাখান | পর্ব ১১ | লুঙ্গি থেকে পাঞ্জাবি আর লাবণ্যর উপহার

প্রত্যাখান পর্ব ১১-এ লুঙ্গিতে ঘুম ভাঙার পর নাস্তায় আদর পায় শুভ্র। বাবা তাকে মার্কেটে পাঠায় আঁখি ও কাজিনদের সাথে। লাবণ্যর জন্য লাল লেহেঙ্গা ও সোনার গহনা কেনা হয়। ফেরার পথে গোসলের পানিতে ভিজে যায় শুভ্র। শেষে পাঞ্জাবি পরে সবাইকে চমকে দেয়।

প্রত্যাখান | পর্ব ১২ | শুভ্রের বিয়ে আর মায়ের চাঞ্চল্যকর সিদ্ধান্ত

প্রত্যাখান পর্ব ১২-এ শুভ্র জানতে পারে তার বিয়ে লাবণ্যের সাথে হচ্ছে। মায়ের মুখে এই সিদ্ধান্ত শুনে স্তব্ধ হয়ে যায় সে। পরিবারের চাপে বিয়ে মঞ্চে উঠলেও মনে মনে উত্তেজনা ও দ্বন্দ্ব কাজ করে। গাড়িতে বসে নীরব লাবণ্যর পাশে ঘামতে থাকে শুভ্র, অনিচ্ছাকৃত বিয়ের ভার কাঁধে নিয়ে।

প্রত্যাখান | পর্ব ১৩ | লাবণ্যর নীরবতা আর বিবেকের ডাক

প্রত্যাখান পর্ব ১৩-এ লাবণ্যর রুম গোলাপে সাজানো হয়, কিন্তু বিয়ের পরেও তাকে শারীরিক চাহিদায় ব্যবহার করা হয়। স্বামী মায়ের কথা উপেক্ষা করে ব্যস্ত থাকে। ভাবি হেনা সত্য ফাঁস করতেই তার বিবেক জেগে ওঠে, চোখে আসে অকাল অশ্রু।

সর্বনাশের দিনে | প্রথম দেখা

সর্বনাশের দিনে পর্ব ১-এ শিবপুর কলেজ গেটে প্রথমবার মুখোমুখি হয় তারা। লজ্জায় রাঙা গালে এক অচেনা প্রেমের সূচনা, চোখে চোখ রেখে কথা হয় না, তবু মন ভরে ওঠে অপরূপ আবেগে।

সর্বনাশের দিনে | পর্ব ২ | চিঠির আবেগ আর ভাঙা প্রেমের কথা

সর্বনাশের দিনে পর্ব ২-এ নায়িকা কবিকে এক আবেগঘন চিঠি লেখে, যেখানে তার ভাঙা হৃদয়, প্রতারণার ব্যথা এবং তীব্র ভালোবাসার কথা ফুটে উঠেছে। কলেজ গেটের সেই কফি শপের স্মৃতি জাগে, যেখানে একদিন 'ভালোবাসি' শোনা গিয়েছিল।

সর্বনাশের দিনে | পর্ব ৩ | প্রেমের স্বপ্ন আর নিয়তির খেলা

সর্বনাশের দিনে পর্ব ৩-এ নায়িকা তার শান্ত প্রেমিকের সাথে ভবিষ্যতের পরিকল্পনা করছিল, কিন্তু হঠাৎ গুলিতে তার মৃত্যু ঘটে। নিয়তির নির্মম খেলায় ভেঙে যায় তাদের প্রেমের স্বপ্ন। নায়িকা ডিপ্রেশনে ভোগে, আর বাবার জোর করা বিয়ের প্রস্তাবে তিন শব্দের কবুলের মুখোমুখি হয়।