ছায়া নীল ! | পর্ব ৩৬ | শেষ পর্ব
মেজো ফুপু মারা যাওয়ার ১ সপ্তাহ পর সৌরভের সাথে শারলিনের সম্পর্কের পরিবর্তন। শারলিনের চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত এবং আফরোজার সাহায্যে নতুন জীবনের সন্ধান।
মেজো ফুপু মারা যাওয়ার ১ সপ্তাহ পর সৌরভের সাথে শারলিনের সম্পর্কের পরিবর্তন। শারলিনের চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত এবং আফরোজার সাহায্যে নতুন জীবনের সন্ধান।
নীতু মায়ের মৃত্যুর পর বাতাবি লেবু গাছের দিকে তাকিয়ে থাকে, মা তাকে ডাকে কবর থেকে। রাতে আত্মা দেখে সে বিষ খায়, মা তাকে নিতে আসে। ভৌতিক ঘটনা ও মায়ের ভালোবাসার করুণ গল্প।
নাভিদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ছাত্র, ফেসবুকে রিন্তি নামে এক মেয়ের সাথে প্রেমে জড়ায়। কিন্তু জানতে পারে রিন্তি তার বন্ধু সিয়ামের সাথেও প্রেমের সম্পর্ক রাখে। ধোঁকার মুখে ভেঙে পড়ে নাভিদ, মা-বাবার কাছে ঘুমের ওষুধ পাওয়ায় তাদের কষ্ট দেখে বুঝতে পারে একটি মিথ্যা প্রেমের জন্য পরিবারকে কষ্ট দেওয়া ঠিক নয়।
১২ বছরের ফারিয়া প্রতি সপ্তাহে দুবার একই ভয়াবহ স্বপ্ন দেখে, যেখানে ট্রাকের ধাক্কায় তার শরীর পিষে যায়। স্বপ্নের পর নাকে রক্ত-মাংসের গন্ধ, বমি ও শারীরিক ব্যথা হয়। ডাক্তার আফতাব হোসেন স্বপ্নের রহস্য উদঘাটনে তার বাবাকে বাড়িতে ডাকেন।
ফারিয়ার বমিতে উঠল একটি অদ্ভুত মাকড়সা, আর আফতাব হোসেন স্ত্রীকে রাগ করে সালাদ তৈরির নির্দেশ দিলেন। অতীতের স্মৃতি ও পারিবারিক চাপে জর্জরিত আফতাব আজও বাবার কথা মনে রাখেন, কিন্তু প্রতিদিন ভাঙেন সেই প্রতিজ্ঞা।
ফারিয়ার বাবা রশীদ আলম ডাক্তার আফতাব হোসেনের কাছে মেয়ের মা চলে যাওয়ার গোপন চিঠি আর বিষাক্ত স্মৃতি নিয়ে কাঁদেন। ফারিয়ার পুনরাবৃত্তিমূলক ভয়াবহ স্বপ্নের পিছনে লুকানো পারিবারিক ট্রমার ইঙ্গিত মিলে।
ফারিয়ার মা হারানোর পিছনে দাদীর কুসংস্কার ও বিষোদ্গার উদঘাটন করেন রশীদ আলম। ফারিয়ার বারবার বমি, মন খারাপ আর দাদীর কটূক্তি মায়ের হৃদয় ভাঙে। আফতাব হোসেন সত্যের দিকে এগোচ্ছেন ধীরে ধীরে।
লিমা ফারিয়ার জন্য নিজেকে আসল মা হিসেবে প্রমাণ করতে চায়, আর ফারিয়া ভয়ংকর স্বপ্নের পর গভীর ঘুমে আছে। লিমা তাকে ঘুমাতে দেয়, আশা করে আজ সকালে সুন্দর ভোর দেখে মেয়েটির মন ভালো হবে।
ফারিয়া নদীর পাড়ে পানকৌড়ির খেলা দেখে মনের কষ্ট ভুলে যায়, আর রশীদ আলম ডাক্তার আফতাব হোসেনের সাথে দেখা করার আগে মায়ের কুসংস্কারে জর্জরিত হয়ে পড়েন। পরিবারের চাপে তার মনস্তাপ চরমে, আর আফতাব হোসেন স্ত্রীর অতিরিক্ত ভালোবাসায় বিরক্ত হন।
ডাক্তার আফতাব হোসেন ফারিয়ার রহস্যময় অসুস্থতা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছেন। মা লিমার কাছ থেকে প্রথম স্বপ্নের পরের দিনের ঘটনা জানতে চান। ফারিয়ার দাদীর জ্বীন-ভূতের দাবি আর পরিবারের অবহেলা ঘিরে রয়েছে রহস্য। ডাক্তার সন্দেহ করছেন মানসিক চাপের পেছনে লুকিয়ে আছে কিছু অতীত ঘটনা।
আফতাব হোসেন স্ত্রী রেহানার জন্মদিন উপেক্ষা করে হোটেলে থাকতে চান, কিন্তু রেহানার কান্নায় ভেঙে পড়েন। রাতের শেষে ফিরে এসে তিনি তাকে টিয়াপাখি উপহার দেন, আর পুরনো ভালোবাসা আবার জেগে ওঠে। পরিবারের সুখ ফিরে পাওয়ার গভীর আবেগঘন মুহূর্ত এই পর্বের কেন্দ্রে।
একটি পানকৌড়ির গল্প পর্ব ৯-এ ড. আফতাব হোসেন রশীদ আলমের প্রথম স্ত্রী রিনির সাথে গোপনে দেখা করেন এবং জানতে পারেন ফারিয়ার আসল নাম রাদিয়া। রিনি জুয়াড়ি স্বামী ও সংসারের অত্যাচারের কথা উদ্ঘাটন করেন। ফারিয়া আবারও একই ভয়াবহ স্বপ্ন দেখে।