লেখক মারিয়া কবির

ডুমুরের ফুল ৫ | জাদিদের ফোন আর হেমলতার প্রথম প্র্যাকটিস

ডুমুরের ফুল পর্ব ৫-এ জাদিদ হেমলতাকে রাতে ফোন করে পড়ার সাহায্য অফার করে। ফেসবুকে গণিতের সমাধান পাঠানো শুরু হয়, আর হেমলতা মনোযোগ দিয়ে প্র্যাকটিস করে। পরদিন নানী তাকে ঘুম না ভাঙার পর পড়তে দেখে অবাক হয়। পরীক্ষার চাপে হেমলতার উন্নতি শুরু হয়, আর জাদিদ তা উপভোগ করে।

ডুমুরের ফুল ৬ | হেমলতার বাইরে যাওয়া আর জাদিদের মায়ের সাথে দেখা

ডুমুরের ফুল পর্ব ৬-এ হেমলতা জাদিদের সাথে র‍্যাফেলসে যায় এবং তার মা-এর সাথে অপ্রত্যাশিত দেখা হয়। জাদিদ মজা করে বিয়ের কথা বললে হেমলতা ভয় পায়, কিন্তু পরে জানতে পারে তার আসল উদ্দেশ্য ছিল মায়ের সাথে দেখা। মায়ের সাথে আবেগঘন মুহূর্ত ও অতীতের কথা ফুটে ওঠে।

ডুমুরের ফুল ৭ | হেমলতার মা মনে পড়া আর জাদিদের মায়ের সাথে খাওয়া

ডুমুরের ফুল পর্ব ৭-এ হেমলতার মায়ের কথা মনে পড়ে যায় আর সে আবেগাপ্লুত হয়। জাদিদের মা মাইমুনা ইফতি ছেলের জন্য রান্না করেন এবং হেমলতাকে খাইয়ে দেন। রিক্সায় ফেরার পথে হেমলতার চুল উড়ে যায়, সে হাসতে থাকে, আর জাদিদ তাকে অচেনা ভাবে দেখে।

ডুমুরের ফুল ৮ | জাদিদের স্বপ্নে হেমলতা

ডুমুরের ফুল পর্ব ৮-এ জাদিদ হেমলতার চুল বেঁধে দেয়, আর তাদের মধ্যে অনুভূতির পরিবর্তন ঘটে। হেমলতা নানীর অসুস্থতায় চিন্তিত হয়। জাদিদ ঘুমে স্বপ্নে দেখে সাদা শাড়ির হেমলতাকে ঝুমুর পরে দাঁড়িয়ে আছে। স্বপ্নে তার হাসি ও চেনা মুখ জাদিদকে মুগ্ধ করে।

ডুমুরের ফুল ৯ | জাদিদের স্বপ্ন আর রাতের ফোন

ডুমুরের ফুল পর্ব ৯-এ জাদিদ এক সুন্দর স্বপ্ন থেকে ঘুম ভাঙে এবং রাত ৩টায় হেমলতাকে ফোন করে। স্বপ্নে দেখা মেয়েটি নিয়ে আবেগ নিয়ে কথা বলে সে, কিন্তু তাকে চিনতে পারে না। হেমলতার সাথে গভীর আত্মীয়তার আলোচনায় জাদিদ তার মা-বাবার ডিভোর্সের ব্যথা খুলে বলে। পরীক্ষার আগের রাতে তাদের আবেগঘন কথোপকথন চলে।

ডুমুরের ফুল ১০ | ছবি চাওয়া আর হেমলতার ভাবনা

ডুমুরের ফুল পর্ব ১০-এ জাদিদ হেমলতাকে ছবি চায়, আর হেমলতা সাজা ছবি পাঠায়। জাদিদ মুগ্ধ হয়, আর হেমলতা ভাবে সে কি জাদিদের চোখে কিছু বুঝতে পারছে। রসায়ন পরীক্ষায় হেমলতা লবণ স্বাদ দিয়ে বিষক্রিয়ার ঝুঁকি নেয়। দুজনের মধ্যে অনুভূতি গভীর হয়, কিন্তু বিচ্ছেদের ছায়া ঘনিয়ে আসে।

ডুমুরের ফুল ১১ | শেষ পর্ব | হেমলতার ভালোবাসা আর জাদিদের স্বীকারোক্তি

ডুমুরের ফুল পর্ব ১১-এ হেমলতা প্রাকটিক্যাল পরীক্ষায় বিষাক্ত লবণ চেখে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। জাদিদ তাকে দেখতে আসে এবং তার হাত ধরে ভালোবাসা স্বীকার করে। হেমলতাও তার প্রতি অনুভূতি জানায়। দুজনের মধ্যে গভীর আবেগের মুহূর্ত ঘিরে ওঠে, আর জাদিদ তাকে 'কেশবতী' বলে ডাকে।

তিনি এবং ও ! | পর্ব ১ | নিদ্রের বাংলাদেশ আগমন আর রহস্যময়ী যুবতী

তিনি এবং ও পর্ব ১-এ নিদ্র বাবার বন্ধু রশিদ সাহেবের সাথে ঢাকায় পৌঁছায়। জ্যামে আটকে থাকা, বাড়িতে অবাক হওয়া এবং রাতে ঘুম না আসার পর সকালে ফুলের বাগানে ঘুরতে গিয়ে সে দেখে এক বিষণ্ণ যুবতীকে, যার এলোচুলে রোদ পড়ছে। তার চোখ আকাশে, মন অজানা কোথায়।

তিনি এবং ও ! | পর্ব ২ | নিদ্রের নুড়ি আর রহস্যময়ী মেয়ে

তিনি এবং ও পর্ব ২-এ নিদ্র বাবার চাপে লুসির থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে নতুন পরিবেশে আসে। রান্নাঘরে রহস্যময়ী মেয়ের সাথে তার দেখা হয়, যার লাল চোখ আর কঠিন আচরণ নিদ্রকে ভীত করে। নুড়ি রান্নার মাধ্যমে সম্পর্কের প্রথম সূত্রপাত হয়, কিন্তু অদ্ভুত পরিস্থিতি ঘিরে থাকে রহস্যের আবেশ।

তিনি এবং ও ! | পর্ব ৩ | নিদ্রের রাগানোর খেলা আর অদ্রির বিরক্তি

তিনি এবং ও পর্ব ৩-এ নিদ্র অদ্রির সাথে তার রান্না নিয়ে মামুলি ঝগড়া শুরু করে, কিন্তু আসলে তাকে রাগানোর চেষ্টা করে। চামচ থেকে পানের বাটা পর্যন্ত নিয়ে ঘটে যায় ছোট ছোট ঘটনা, আর নিদ্র বারবার নক করে অদ্রিকে বিরক্ত করে। অদ্রি বুঝতে পারে ছেলেটি জানে জানে তাকে রাগাচ্ছে, আর সে সফলও হচ্ছে।

তিনি এবং ও ! | পর্ব ৪ | অদ্রির কান্না আর নিদ্রের রঙিন প্রশ্ন

তিনি এবং ও পর্ব ৪-এ অদ্রি চাঁদের দিকে তাকিয়ে অতীতের হারানো সময় নিয়ে আবেগে কাঁদে, আর নিদ্র রাতে রঙের কৌটা নিয়ে তার ঘরে হাজির হয়। কফি নিয়ে আসা নিদ্র অদ্রির কান্নার কারণ জানতে চায় এবং বাংলা চলচ্চিত্রের মজার প্রশ্ন নিয়ে তাকে হাসাতে চেষ্টা করে, যেখানে বনবাসে যাওয়া নায়িকার জোড়া তালির কাপড় কোথায় পায় সেই রহস্য তুলে ধরে।

তিনি এবং ও ! | পর্ব ৫ | নিদ্রের রঙিন স্বপ্ন আর অদ্রির তিতা কফি

তিনি এবং ও পর্ব ৫-এ নিদ্র অদ্রির মন খারাপের কারণ খুঁজে পায় এবং তাকে উদাসীনতার প্রতি লক্ষ্য করে। অদ্রি নিদ্রের চিনি ছাড়া তিতা কফি চেখে অবাক হয়। নিদ্র রাতে রঙিন নদীর স্বপ্ন দেখে, যেখানে ঢেউ স্পর্শ করতে গিয়েও পারে না, আর ঘুম ভাঙার পর রঙের ব্যবসা করার কথা ভাবে।